এর চেয়ে অনেক অনেক কম নিগ্রহের শিকার হয়েও বৃটেন, আমেরিকা , কানাডা এমন কি পার্শ্ববর্তী ভারতের চিকিৎসকরাও রাজপথে নেমে আসেন, কর্মবিরতি পালন করেন!! লিখেছেন ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ
সাবধান ছোট্ট একটা ভুল ডেকে আনতে পারে মৃত্যু । লিখেছেন ডা সুরেশ তুলসান
এর পরেই শুরু হয় টাইপ টু ডায়াবেটিস ,এবং একবার জমিয়ে বসতে পারলে সে ডেকে আনে বন্ধু হাইপারটেনশন বা হাই ব্লাড প্রেসার । লিখেছেন ডা. সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়
রোগী সেবাই মুখ্য। একদিকে অব্যাহত হলুদ নোংরা অপপ্রচার অন্যদিকে অসহায় লাখো রোগীর আর্ত চিৎকার; অবশেষে মানবতার মহান ডাকেই সাড়া দিলেন চট্টগ্রামের ক্লিনিক মালিকগন।
বাংলাদেশে যতরকম মরনঘাতি জীবনঘাতি অপচিকিৎসা আছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে হলুদ সাংবাদিকরা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এটা মিডিয়ার সৎ ও নিরপেক্ষ সাংবাদিক ভাইরাও জানেন। কিন্তু কিছু বলেন না। কেননা, ওই সব জীবনঘাতি প্রতিষ্ঠান মিডিয়ায় বিজ্
স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষিত নিয়ে লিখেছেন ব্রিগেডিয়ার ডা. নাসির উদ্দিন আহমেদ
প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, আপনাদের সন্তান হারানোর বেদনার সঙ্গে আমরা ডাক্তাররাও সম্পূর্ন সহানুভূতিশীল।লিখেছেন ডা. সুশান্ত সাহা
রাইফার শোকার্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সহানুভূতি জানাই। প্রতিটি শিশুই ডাক্তারদের আপন। লিখেছেন ডা. শাহ আহসানুল ইমরান
" ভুল চিকিৎসার পোস্টমর্টেম" শিরোনামে লেখাটি লেখাটি দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদকীয় হিসেবে প্রকাশ হয়েছে সম্প্রতি। পাঠকদের কাছে লেখাটি পেশ করা হল।
পেরিফেরির একজন গাইনি কনসাল্টেন্টের কি দশ হাত। কত রকম সমস্যা ও চিকিৎসা সামলাতে হয় তাকে ;তারই বিস্তারিত বিবরণ দরদী কলমে লিখেছেন ডা. অামেনা বেগম ছোটন
"ডায়াজেপাম সাপোজিটরি ৮০% বাচ্চার শরীরে ভালো কাজ করে , বাকী ২০% ভাগের পরিনতি হয় করুণ । তাদের অনেকেরই মৃত্যু হয় । ( অস্ট্রেলিয়ান পেডিয়াট্রিক গাইডলাইন অনুযায়ী) । " লিখেছেন ডা. সাঈদ সুজন
কিন্তু, জেনে নিন, বাংলাদেশ জংগীদের নয়।বরং , হৃদয়ের সবকটি জানালা খুলে অতিথিবরণের উষ্ণ গান গাইতে জানে এই বাঙালিরাই। লিখেছেন মেজর ডা. খোশরোজ সামাদ
"আমি একজন চিকিৎসক হলেও আমি একজন মানুষ এবং একজন বাবা।" লিখেছেন ডা. ফরহাদ উদ্দিন চৌধুরী মারুফ
মানুষের সেবাই যার মননে- মগজে সে কি থেমে থাকতে পারে? গিয়েছিলেন নির্বাচনী প্রচারে কিন্তু সেখানেও রোগি দেখছেন ডাঃ মনীষা চক্রবর্ত্তী। জানাচ্ছেন ডা. রাশেদ হোসেন, বরিশাল
মিডিয়া যতই কসাই ডাক্তার বলে কদর্য প্রচারণা চালাক না কেন; মানবসেবায় ডাক্তার ছুটছেই। তারই একটি নজীর এখানে হাজির করছি। লিখেছেন ডা. শামসুদ্দিন আহম্মেদ ও পারিজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
ই দরিদ্র ব্যাক্তি পেশায় চেম্বার এটেনডেন্ট । দুটি কিডনিই অকেজো: বিশাল খরচের ডায়ালিসিস আর কুলোচ্ছে না। আর পারছেন না।
স্বাস্থ্য সেকটরে কিশোরগঞ্জ জেলা একটি আলোকবর্ত্তিকা। এই জেলা থেকে হাজারো চিকিৎসক দেশসেবা ও মানব সেবার ব্রত নিয়ে সারা দেশে কাজ করছেন। জানাচ্ছেন ডা. শামীমা আলম
ডা. বিধানচন্দ্র রায়। তিনি কি না ফেল করেছিলেন ডাক্তারি পরীক্ষায়? এক সময় এ শহরে ট্যাক্সিও চালাতেন! তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পদে চেয়েছিলেন মাউন্টব্যাটেন। প্র্যাকটিস জমাবার প্রথম পর্বে বিধানচন্দ্র রায় যে কলকাতায় পার্ট টাইম ট্যাক্সি ড্র
"পন্ডিচেরীর এক মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষর ঘরে বিধানবাবুর ছবি দেখেছি। আর কলকাতায়!! "লিখেছেন অধ্যাপক ডা. অনির্বাণ বিশ্বাস
ডাক্তারদের উপর হামলা রোধে কলকাতা পুলিশের উদ্যোগ চিকিৎসক সমাজ সহ সাধারণ মানুষের মাঝেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ডা. সুদীপা রায় , কলকাতা