আসামের প্রায় শতাব্দীর রক্তাক্ত ইতিহাস ,নানা সমীকরণ নির্মোহ চিত্তে ইতিহাসবিদের অনন্য প্রজ্ঞায় লিখেছেন অধ্যাপক ডা.অনির্বাণ বিশ্বাস। প্রবল মনোকষ্টে বলেছেন, ইতিহাস সবার জানা দরকার।এত বিদ্বেষ নিয়ে বাঁচব কি করে ? তথ্যে কিছু ভুল থাক
অকৃত্রিম সত্য কাহিনি। অত:পর ধীরে ধীরে রহস্যের জট খুলতে লাগলো। নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও গোলাম আজম এই দুই দিন দেশের সেবা করেছে। ওনারা আউট হওয়া মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন বিক্রি করেছে। সেই চক্র নতুন চেহারায় ৩৯তম বিসিএস নিয়ে
"অবাক লাগে, আমি কি ছাইপাঁশ লিখি,সেইটুকুও যদি নিজের নামে চালান,এইটুকু সততা যদি জীবনে না দেখাতে পারেন, তাহলে বড় বড় সুযোগ আসলে কি করবে তারা?সামান্য একটা লেখার জন্যে তো নিজের কাছেই ছোট হয়ে অন্যের কাছে বাহবা পেয়ে লাভ কি আছে বুঝলাম
অনেকদিন ট্রেনে উঠিনা। এখন বড় হয়েছি, বিনা টিকিটে তো ট্রেনে উঠার প্রশ্নই উঠে না। এই সেদিন ঢাকা থেকে সপরিবারে ট্রেনে বাড়ী ফেরার পথে টিটি সাহেব দের সাথে বেশ কিছু বিনা টিকিটের যাত্রী দের বচসা, দর-দাম, দফা - রফা ইত্যাদি দেখে নষ্টাল
পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিল নির্বাচন নিয়ে লিখেছেন ডা.রেজাউল করীম।
মেডিকেল কলেজ বানিজ্যের প্রসারের প্রলোভনে এক ধুরন্ধর নেপালী মন্ত্রী বাংলাদেশে আসা সে দেশীয় মেডিকেল ছাত্রীদের নিয়ে জঘন্য মিথ্যাচার করেছিল।
প্রয়াত হুমায়ুন আহমেদকে নিয়ে অনন্য লেখা । লিখেছেন ডা. গুলজার হোসেন উজ্জ্বল
"চার বছর বয়স থেকে বাবা বলে জেনে আসা, ডেকে আসা, চিনে আসা লোকটি যখন চৌদ্দ বছরে বয়সে পৌঁছানো সৎ কন্যার শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গে হাত দেন তখন কি উচিত না এই পৃথিবীটার ধ্বংস হয়ে যাওয়া ? " সমাজগর্ভের নীরবতা ভাঙা লেখা। লিখেছেন ডা.নাসিম
এ বিষয়ে একটি বক্তব্য অামাদের দপ্তরে এসেছে।
একদল সাংবাদিকের হাতে আরেক সাংবাদিক মারপিটের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
"আর এমনও তো হতে পারে,ভাইয়াটি আপুটিকে নিয়ে আজ একটু বেশি খাওয়াদাওয়া করে ফেলেছিলেন,অতিরিক্ত ক্যালরি পোড়ানোর জন্যই তারা এই কাজটি করেছেন।হতে পারে না?"লিখেছেন ডা. মোঃ বেলায়েত হোসেন
ডাক্তারদের আসলে মোবাইল ব্যবহার করা উচিৎ না। ব্যবহার করলেও সবাইকে নাম্বার দেয়া উচিৎ না। তারপরও কিভাবে যেন নাম্বারটা পেয়ে যায়। তাই মাঝে মাঝে নাম্বারটা বদলানো উচিৎ।কেন ,জানাচ্ছেন ডা সুরেশ তুলসান
মেডিকেল শিক্ষকরা তো সবসময় রোগী সেবা কার্যক্রম চালিয়েই যাচ্ছেন । এ নিয়ে নতুন করে উটকো ফরমান জারি করে লোক হাসানোর কি দরকার ছিল।
মেডিকেল কলেজের শিক্ষকরা ক্লাস নেওয়ার পাশাপাশি রুগিও দেখেন অনেক আগে থেকেই, সেই শুরু থেকেই। এটা নতুন কিছু নয়! বুঝলাম না এখানে নতুন করে নির্দেশনা দেওয়ার কি হলো! লিখেছেন ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ
"আপনি যদি এখানেই থেমে যান তাহলে সত্যিই আপনার জীবন শেষ।যদি তা না করে আপনি 'মুভ অন' করেন, ব্যর্থতা ভুলে গিয়ে নব উদ্যমে শুরু করেন তাহলে আপনি শুধু সফলই হবেন না, শীর্ষস্থান ও হয়তো দখল করতে পারবেন।" লিখেছেন ডা. কামরুল হাসান সোহেল
আবিদ স্যার এর চেম্বারে । শীর্ষক লেখায় বাংলাদেশের ,প্রথিতযশ বেতার সাংবাদিক সামিয়া কালাম জানিয়েছেন চিকিৎসকের প্রতি অনন্য কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধার কথা।
"আতাহার সকাল থেকে কিছু খায়নি। বাসার চুলো বন্ধ। মা নেই। একুশদিন থেকে হাসপাতালে। ক্যান্সারের টার্মিনাল স্টেজ চলছে। অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সার। দিনে তিনবার বালিশে বুক চেপে যন্ত্রণায় চেঁচামেচি করে।" ডা. রাজীব হোসাইন সরকার-এর গল্প।
এই প্রযুক্তি চীনে এখন বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে। আরো অনেক দেশেও এই প্রযুক্তির বাড়িতে মানুষ বসবাস করছে। কয়েক তলার আস্ত বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে থ্রিডি প্রিন্টার ব্যবহার করে। যে বাড়ি তৈরী করতে সময় লাগে মাসের পর মাস তা তৈরী হয়ে যায় একদি
মিডিয়ার অসুস্থ কান্ড এপার বাংলা ওপার বাংলায় সমানেই চলছে। মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন প্রিন্সিপালকে নিয়ে কলকাতার মিডিয়ায় ঘরে বসে বানানো ও সর্বৈব মিথ্যা খবর ছাপা হয়েছে। চিকিৎসক সম্প্রদায় সর্বত্রই মিডিয়ার অসত্য জন্ডিস প্রোপাগান্ডার
যাইহোক শেষ পর্যন্ত কারো না কারো টনক নড়েছে! পতনের রাশ টানা গেছে। গড্ডালিকা প্রবাহের ছন্দে পতন ঘটিয়ে জাতির পতন ঠেকানো গিয়েছে!! এইচএসসি'র ফল নিয়ে মূল্যায়ণ লিখেছেন ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ