সরকারি নিষেধ অমান্য করে , বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য বিধি অমান্য করে কুসংস্কারে বিশ্বাস করলে কি করুণ ভয়ঙ্কর পরিনতি হতে পারে, তার প্রকৃষ্ট নজির এখন দিল্লির তাবলিগ জমাত । এই ধর্মগোষ্ঠির প্রধান মওলানা সাদ কান্ধালভি নিজেও করোনা ভাইরাস স
এই করোনা বিশ্ব মারী ঠেকাবার একটি শ্রেষ্ঠ উপায় হল সামাজিক বিচ্ছিন্নতা । তবে কতদিন এই সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ? জবাব দিচ্ছেন ডা: শুভাগত চৌধুরী
ডা: শুভাগত চৌধুরীর ১২ পরামর্শ মানুন। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচুন। ডা: শুভাগত চৌধুরী খুব সহজ করে পরামর্শগুলো দিয়েছেন।
অধ্যাপক ডা. এমএস কবীর জুয়েল লিখেছেন, বিশেষ কোন জিনগত বৈশিষ্ট্য কি কৃষ্ণাংগদের অধিক সুরক্ষা দিচ্ছে? এ নিয়ে আলোচনা চলছে, জগৎব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা-র প্রাদুর্ভাবের তেমন মারাত্মক কোন ছোঁয়া আফ্রিকার কোন দেশেই লাগেনি। এন্টার্কটিকা
সারা বিশ্বে ভীতি ছড়ানো করোনাভাইরাস নিয়ে বরাভয় দিলেন এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজির (এআইজি) চেয়ারম্যান ও পদ্মভূষণপ্রাপ্ত এবং বিশ্ব জুড়ে সম্মানিত চিকিৎসক জি পি নাগেশ্বর রেড্ডি। তিনি বলেছেন, এ ভাইরাসকে জয় করা সম্ভব। আ
বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখা প্রসঙ্গে লিখেছেন অধ্যাপক ডা. ঝুনু শামসুন নাহার: এনিয়ে বেশ কথাবর্তা শোনা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা তাদের প্রাইভেট চেম্বার বন্ধ রেখেছেন। রোগী দেখছেন না। চেম্বার বন্ধ রাখলে বিশেষজ
ডা.এস এম মুইজ্জুল আকবর চৌধুরী লিখেছেন , বাচতে হলে করোনার আগে আগে চলতে হবে..... করোনার পিছে পিছে ছুটলে মরতে হবে।
একজন সাংবাদিক সম্পাদক বলেছেন , জানালা দিয়ে দূর থেকে দেখে চিকিৎসা দিলে পিপিই ছাড়াই চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। এটা নয়াতত্ত্ব। এ প্রেক্ষাপটে বিশিষ্ট চিকিৎসকদের বক্তব্য : করোনা পরিস্থিতি হাইলি ট্যাক্নিক্যাল ইস্যু। জ্যাক অব অল ট্রেড, মা
ঢাকার জনপ্রিয় একাত্তর টিভির একাত্তর জার্নাল অনুষ্ঠানে প্রেজেন্টারের কথিত মন্তব্য :ডাক্তারকে আনুষ্ঠানিক / রাষ্ট্রীয় কৃতজ্ঞতা দেয়া হলে মেথরের প্রতি নয় কেন ! " কে নিয়ে চিকিৎসক সমাজে বিক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
ডা. সাঈদ এনাম লিখেছেন, এরকম সর্বদলীয় প্রিয় কিংবা নির্দলীয় একজন চিকিৎসক কি আমাদেই নেই? অবশ্যই আছেন। ডা. ফওসী'র মতো বিশেষজ্ঞ ও আমাদের অনেক আছেন। তারা কোথায়? তারা হয়তো কোন এক লাইব্রেরির অন্ধকার কোনে বই নিয়ে পড়ে আছেন। তাদের খবর ক
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, পিপিই হচ্ছে যারা স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত তাদের সুরক্ষার জন্যে। তিনি বলেন, ইদানিং দেখছি যত্রতত্র সবাই এর ব্যবহার করছে। অথচ যাদের দরকার তারাই পাচ্ছে না। প্রথমে চিকিৎসকদের পিপিই প্রয়োজন। অযথা বাড়াবাড়ি
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই চার্চের জমায়েত থেকেই ফ্রান্সে কোভিড-১৯ সংক্রমণের সবচেয়ে বড় বিস্তৃতিটা ঘটেছে। আড়াই হাজারের মত মানুষের করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার পেছনে ভূমিকা রয়েছে ওই সমাবেশের।
অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি, আজ মদিনায় একজন বাংলাদেশী চিকিৎসক "করোনা'য় আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। নামঃ ডাঃ আফাক হোসেইন। স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন ছাত্র ছিলেন তিনি । উনি সাফা-আল্-মদিনা ক্লিনিকে চাকুরীরত ছি
অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল তাহলে করোনাকে কি ভয় করার প্রয়োজন নেই ? ১.আছে । আসল বাঘ ( করোনা) আমদের বাড়ি আক্রমণ করতে আসছে । এ সময় মাঝারি ধরনের ভয় থাকা জরুরি । এ ধরনের নিয়ন্ত্রিত ভয়, সমস্যা মোকাবিলা করতে আমাদের উদ্যোগী করবে । ২. তব
গ্রিস থেকে সেখানকার করুণ পরিস্থিতির আলোকে একজন বাংলাদেশী তার নিজদেশী মানুষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, পানি খেয়ে হলেও ২০/২৫ টা দিন ঘরে থাকুন। তা না হলে, বাংলাদেশের মানুষের মৃত্যুর মিছিলটি বড়ই দীর্ঘ হবে।আবেগ নয়, বিবেক দিয়ে সিদ্ধান
অম্লান দেওয়ান লিখেছেন বাংলাদেশের ছবির কারিগর স্বপনকে নিয়ে। যিনি প্রয়াত হয়েছেন করোনায় সাত নদীর ওপারে বিদেশ বিভূঁইয়ে। না ফেরার দেশে ভালো থেকো বন্ধু।
ডা. রাজিয়া সুলতানা লিখেছেন, ধর্ষকামী জাফর আহমেদকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশকে অজস্র ধন্যবাদ। সে একজন নারীকে প্রকাশ্যে ধর্ষণের হুমকি দিয়েছিল। এসি ল্যান্ড সায়েমা হাসান বুদ্ধ মজুরদের অন্যায় শাস্তি দিয়ে , সে ছবি ফেসবুকে ও সরকারি অনল
মেজর ডা. খোশরোজ সামাদ লিখেছেন, জী,আপনাকে বলছি,আপনি যিনি ক্ষমতায় উন্মত্ত হয়ে পিতৃপ্রতিম দুজন মানুষকে কান ধরে উঠবস করালেন।আপনাকে বলছি, যিনি 'এই হিরোয়িক কাজে ব্র্যান্ড এম্বাসাডর 'হবার কুৎসিত মনোবিকারে সেলফি তুললেন।জনগনের সেবকের
সেরীন ফেরদৌস লিখেছেন, করোনা ভাইরাস মানুষের ফুসফুসে গিয়ে বাসা বাঁধে ও খুব দ্রুত সংখ্যায় বাড়ে। আমাদের ফুসফুস ছোট ছোট বলের মতো আকৃতির বস্তু দিয়ে (অ্যালভিওলাই) তৈরি যেগুলো শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে বেলুনের মতো ফুলে ওঠে ও চুপসে যায়।
"আমরা এবার করোনা মহামারী-এর ৩য় ধাপে প্রায় পৌঁছে গিয়েছি। এটি সর্বাধিক আগামী ৬-১০ দিন অতিবাহিত করবে। এখন দরকার সর্বাধিক সতর্কতা ও কোয়ারেন্টিন। এরপর আর সাবধানতার কোনও সুযোগ নেই। এরপর আর সাবধান হয়েও কোনও লাভ নেই। এরপর আর সাবধ