ডা. আবদুল্লাহ আল মোহন শামীম লিখেছেন, রোহিঙ্গাদের প্রতি আমরা দেখিয়েছিলাম মানবতা। বিনিময়ে রোহিঙ্গারা দেখাচ্ছে দানবতা। রোহিঙ্গাদের দানবতার শিকার হচ্ছে স্থানীয় নিরীহ বাঙালিরা। বাংলাদেশের নারীরা। মানবতা বনাম দানবতার এই লড়াই প্রতিদ
অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী লিখেছেন অন্য মাত্রার এক কাহিনি: বৃদ্ধা মহিলা মারা গেলেন হাসপাতালে , একা ।হাসপাতাল স্টাফ যখন ঘর পরিস্কার করছিলেন তখন ড্রয়ারে পেলেন একটি চিঠি । কি লেখা সেই চিঠিতে...
ডা. রাইসুল ইসলাম সুমন লিখেছেন, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্যে জানা যায়, জীবনানন্দ দাশ যখন ট্রাম লাইন পার হচ্ছিলেন তখন তার হাতে ডাব ছিল। একজন মানুষ হাতে ডাব নিয়ে আত্মহত্যা করতে পারেন কি না এ নিয়ে প্রশ্ন থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এর
ডা. সাঈদ এনাম লিখেছেন, লাল মিয়ার যে মানসিক অবস্থা এখন সে মোটেই ঔষধ খাবেনা। তাই তাকে ক্লিনিকে ভর্তি করে সর্ট কোর্স ইঞ্জেকিটেবল এন্টিসাইকোটিক আর সেডেটিভ এর উপর তিনদিন রেখে অবজারভেশনে রাখলাম। সপ্তাহ পর থেকে লাল মিয়া একটু একটু কর
অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী লিখেছেন, অষ্টিওপরোসিস নিয়ে। অদৃশ্য থাকে রোগটি , স্পষ্ট কোনও লক্ষণ উপসর্গ থাকেনা , হাড় যখন ভাঙ্গে তখন বোঝা যায় কি ভয়ানক ক্ষয় আর ধ্বংস লীলা চলছিলো । বয়স্ক রোগী দাঁড়িয়েছিলেন , হঠাৎ পড়ে গেলেন , নড়া চড়ার
জোরহাট জায়গাটা সিলেট থেকে কাছেই। অনেকে এখন সেখানে ভ্রমণে গিয়ে গভীর প্রশান্তি লাভ করেন। আরও প্রশান্তি যাদব পায়েং নামের মহাপুরুষের সঙ্গে আলাপে। তিনি বনমহাপুরুষ। কেন! বলছি।
অধ্যাপক ডা. একেএম রেজাউল করিম লিখেছেন, আমাদের পরিচিত বড় ভাই ডা: শাহ আলম, সিএমসি-২০ ব্যাচ (৬০) কেন জানি মাটির টান ছাড়তে পারলেন না। নিজের গ্রামের বাড়ী সীতাকুন্ডে একটি আধুনিক শিশু হাসপাতাল করে তুলনামূলক কম ব্যয়ে শিশু স্বাস্থ্
ডা. সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় লিখেছেন, রাত্রে খাওয়ার সময় বেশি কার্ব খেলে রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বেশি থাকে খুব, তখন গ্রোথ হরমোন তেমন কার্যক্ষম হয় না, এই জন্যে পশ্চিমা দের মতো সন্ধ্যাকালে নৈশাহার ই শ্রেয়, বা আরো পরে খেতে হলে কার্ব
বেঙ্গালুরুর মেয়ে বিশ্বখ্যাত বলিউড অভিনেত্রী দিপীকা পাড়ুকোন হলেন উত্তম নজির। তিনি গুরুতর ডিপ্রেশনের শিকার ছিলেন কৈশোরে ও প্রথম যৌবনে। একাকী থাকা ছিল পছন্দ। তার পরিবার বিষয়টি লুকোয় নি। হেলাফেলাও করেন নি। তারা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা
প্রথমত: তিনি চিকিৎসক। লেখক চিকিৎসক। তার পর পান বিশ্বখ্যাতি। তার প্রথম প্রেম ডাক্তার বেলায়। ময়মমন সিংহ মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশের প্রখ্যাত এক তরুণ কবি রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর সঙ্গে। কি ভাবে হয়েছিল সেই ডাক্তার তসলিমা
বাঙালি প্রথম স্ত্রী সঙ্গে ডিভোর্স: এই দম্পতির পুত্র কবিরের অকাল মৃত্যু : বিশ্বজয়ী নোবেল লরিয়েট অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ ব্যানার্জির জীবন যেন বিচ্ছেদ ও শোকের চাদরে মোড়া। তারপরও থেমে থাকেন নি তিনি। অদম্য লড়াই করেছেন জীবনের সঙ্গে। চাল
নেক্সট টাইম কোন গো-সন্তান দেশ, দুনিয়া বা জাতীয় অবদান নিয়ে বাঙালিকে জ্ঞান দিতে এলে তাঁদের বলাটা প্রয়োজনীয় যে নিখিল ভারতবর্ষে প্রথম নোবেল রবীন্দ্রনাথ আনে, অর্থনীতিতে প্রথম নোবেল আনে অমর্ত্য সেন, সে ও বাঙালি আর এখন অভিজিৎ। এছাড়
অমর্ত্য সেনের পর অর্থনীতিতে ফের নোবেল জয় বাঙালির। দারিদ্র দূরীকরণের দিশা দেখিয়ে সস্ত্রীক নোবেল জয় প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সন্তানের সাফল্যে গর্বিত নোবেলজয়ীর মা। আবার পুত্রবধূও একই কৃতিত্
সাইকিয়াট্রিস্ট ডা.সাঈদ এনাম দুটি কেস হিস্ট্রি। চরিত্রের নাম গোপন রাখা হয়েছে।
উপমহাদেশের প্রখ্যাত চিকিৎসক লেখক অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী জানাচ্ছেন, এই রোগের শিকার বিশ্ব জুড়ে ৩৫০ মিলিয়ন লোক , আমেরিকায় প্রায় ৪০ মিলিয়ন । আমাদের দেশের পরিসংখ্যান আমার জানা নাই তবে ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা এরকম রোগীর সংখ্যা কম ন
প্রখ্যাত লেখক অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী লিখেছেন , প্রতিবছর ২৮ লক্ষ মানুষ মৃত্যুবরণ করে স্থুল হওয়া বা শরীরে অতিরিক্ত ওজন হওয়ার জন্য। স্থুলতা অনেক ক্রনিক রোগ যেমন হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, যকৃতের রোগ, নানা ধরনের ক্যান্সারের কারণ।
ডা.সাঈদ এনাম লিখেছেন, স্যারের কাজ ও নোবেল জয়ের জন্যে তাঁকে কংগ্রাচুলেশনস জানিয়ে মেইল করি সেদিন। নোবেলজয়ী স্যার পিটার ক্লিফ আজ আমাকে পালটা কৃতজ্ঞতা আর ধন্যবাদ দিয়ে মেইল করলেন।
ডাঃ জোবায়ের আহমেদ লিখেছেন, সাস্টে পড়তো ছেলেটা। ৩১শে আগস্ট ২০১৮ তে ফেসবুকে লিখলো "ব্যস্তময় নির্মম বাস্তবতার ভীড়ে, জানি হারিয়ে যাবো একদিন চিরতরে। " ২৮ নভেম্বর ২০১৮ তে ফেসবুকে লিখলো বাঁচার জন্য যদি আমি একটি কারণ পাই,মৃত্যুর জন্য
৮ অক্টোবর ২০১৯ মঙ্গলবার রাতে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন: আমি শুধু একজন সরকার প্রধান নই, একজন মা-ও। মা হিসেবে আবরার হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ব
ডাঃ মোঃ ফজলুল কবির পাভেল লিখেছেন, প্রত্যেক চিকিৎসকই নিজের সুনাম বাড়াতে সচেষ্ট থাকেন সবসময়। সুতরাং এই ধরণের অসার উক্তি তিনিই করবেন যিনি তার পেশায় নানারকম দুই নম্বরি করে অভ্যস্ত। তিনি নিজের আয়নায় যা দেখবেন তাই তো বলবেন।