Ameen Qudir

Published:
2019-10-22 11:54:51 BdST

হাসপাতালের ড্রয়ারে পাওয়া মৃত বৃদ্ধার চিঠি পড়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ডাক্তার, নার্স ও প্রশাসক


অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসাহিত্যের পথিকৃৎ
_______________________

একদিন একজন বৃদ্ধা মহিলা মারা গেলেন হাসপাতালে , একা ।হাসপাতাল স্টাফ যখন ঘর পরিস্কার করছিলেন তখন ড্রয়ারে পেলেন একটি চিঠি । সব নার্স আর হাসপাতালের প্রশাসকদের উদ্দেশ্য করে লেখা। প্রত্যেকেই চিঠিটি পড়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল । "প্রিয় নার্সিং এসিসটেন্টরা , আমার দিকে তাকিয়ে তোমরা কি দেখছ ?" সম্ভবত একজন বৃদ্ধ রুগ্ন দুর্বল মহিলা , একেবারে স্মার্ট নয় , অদ্ভুত সব অভ্যাস আমার । স্থির দৃষ্টি নেই , নিষ্প্রভ চোখ । কারো কথা শোনে না সে মহিলা , থুথু করে ফেলে দেয় সব খাবার , এতে তোমরা সবাই হতে হতাশ , এই তোঁ দেখছ তোমরা ?
তোমরা আরও কাছে এসে দেখ , আমি কিন্তু সে রকম নই । আমি ছিলাম একটি ছোট মেয়ে , কি সুন্দর ছিল আমার পরিবার ! আমি একদিন ছিলাম ছোট নব বধু , আমার বুক ধুকপুক করছিল কারন আমি জীবনে কি কি করব সেই অঙ্গীকার গুলো করছিলাম । আমি মা হলাম , আমার দুটো সুন্দর ভালবাসার ধন আমার ছেলে মেয়ে যারা আমাকে খুব ভালবাসে , আমাকে খুব চায় । আমি একজন নারী , আমি ক্রমে ক্রমে পরিপক্ক হলাম , বিজ্ঞ হলাম আরও । আমার সন্তানেরা দ্রুত বাড়তে থাকলো কিন্তু আমি জানি তারা কোনোদিন আমাকে ছেড়ে চলে যাবেনা । আমি এখন মধ্য বয়স্কা নারী , আমার ছেলে মেয়ে আমাদের ঘর ছেড়ে চলে গেল । আমি আমার স্বামী দুজনে ঘরে , ভালই আছি দুজনে নিজেদের ভুবনে । আমি এখন দাদিমা বহু বছর পর আবার আমি কোলে নিলাম ছোট বাচ্চাদের । আমি কত সুখী ! আমি এখন বিধবা । স্বামী হারানোর বেদনা আমাকে আচ্ছন্ন করে । বিষণ্ণতার কাল মেঘ আমাকে ছেয়ে ফেলে , আমি বেদনা ভুলতে চাই । আমি যখন আগামি দিন গুলির কথা ভাবি আমি শঙ্কিত হই , কে আমাকে দেখবে ?
আমার সন্তান দের ও সন্তানরা বড় বড় , তাদেরকে আমি বিরক্ত করতে চাইনা । আমি যেন আমার শরীরের ভেতরে ফাঁদে আটকা । শক্তি , সৌন্দর্য কিছু আমার নাই । এর পর ও আছে একটি শিশু যে বাস করে আমার কুঞ্চন আর জরার ভাঁজে ভাঁজে । মনে মনে ভাবি জীবনের সুখের আর দুঃখের সেই দিনগুলো । আমি জানি কিছুই চিরকাল থাকেনা তাই চোখ ভাল করে খুলে আরও কাছে এসে দেখো । তোমরা একটি রুগ্ন , দুর্বল ,নাজুক বৃদ্ধাকে দেখছ না , দেখছ আমাকে । প্রত্যেকের অতীত আনন্দ আর বেদনায় ভরা। অন্যদের মত বয়স্করাও সম্মান , মর্যাদা আর ধৈর্য পাওয়ার যোগ্য । কারণ মনে রেখ একদিন তোমরাও আমাদের মত হবে ।
২.

আজ আন্তর্জাতিক তোতলামি দিবস ২২ অক্টোবর ২০১৯
১৬ বছর আগে ১৯৯৮ সালে এই দিবস স্থাপিত হল তোতলামি সম্বন্ধে জন সচেতনতা সৃষ্টির জন্য
বিশ্বের জন গোষ্ঠীর ১ শতাংশ তোতলা ।
এর উদ্দ্যেশ্য হল এই জটিল বৈকল্য সম্বন্ধে মানুষকে জানানো
শিশুদের তোতলামি প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহন করা
মানুষকে জানানো এ জন্য সাহায্য পাওয়া সম্ভব
তোতলামি কারন অনুসন্ধানে গবেষণা উৎসাহিত করা ।
স্বতঃস্ফূর্ত বাক স্ফুরণে বাধা হল তোতলামি । যারা তোতলায় তারা শব্দ বা ধ্বনি বা অক্ষর মালা পুনঃ পুনঃ উচ্চারন করে , ধ্বনি উচ্চারন প্রলম্বিত করে , বাক্য প্রক্ষেপণে অনাকাঙ্ক্ষিত বাধার সম্মুখিন হয় । সে কি বলতে চায় স্পষ্ট জানলেও সঠিক প্রকাশে বাঃ সাবলিল প্রকাশে সমর্থ হয়না । সব বয়সে হলেও শুরু হয় ২-৬ বছরের শিশুদের আর ভাষা স্কিল ব্যহত হয় ।
৩.

বাদাম দিবস
ওয়ালনা ট , হেযেলনা ট , কাজু বাদাম , চিনা বাদাম , চেস্ট নাট , কোলা নাট , কাঠ বাদাম , পাইন নাট । আরও কত প্রকার বাদাম যে আছে পৃথিবীতে ! এসব বাদাম মানুষের আহার্যের অংশ ।
কোলার সুবাস আসে কোলা নাট থেকে ,। বিচ নাট যায় প্রাণীর খাদ্যে ।বহু দিন ধরে এই হাই ফ্যাট হাই প্রোটিন খাদ্য শীতের বেঁচে থাকার উৎস । এর স্বাস্থ্য হিত কম নয় , হৃদ স্বাস্থ্যের জন্য , কমায় হৃদ ক্ষতিকর মন্দ কোলেস্টেরল এল ডি এল ।
লিবারেসন ফু ড কোম্পানি প্রথম আয়োজন করেন নাট ডে । ২০১৫ সালে ।
একটি স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর স্নাক্স , শক্তির উৎস আর মানুষ আর বন্য প্রাণী সবার খাদ্য । রান্না করে বা কাঁচা খাওয়া যায় , রোস্ট করে খাওয়া যায় স্নাক্স । দেওয়া হয় কুকারি আ র প্রসাধনীতে । বাদামে যে ফ্যাট এর বেশির ভাগ মনো আন সেচু রেটে ড ফ্যাট । অনেক বাদাম হল ভিটামিন বি ২ আর ই র চমৎকার উৎস । আছে প্রোটিন , আঁশ , খনিজ
ম্যাগনেসিয়াম , ফসফরাস , পটা শিয়াম , তামা , সেলেনিয়াম আছে ফলে ট । নাট দেয় চমৎকার হৃদ সুরক্ষা।

আপনার মতামত দিন:


কলাম এর জনপ্রিয়