SAHA ANTAR

Published:
2020-11-24 15:19:29 BdST

৫টি পয়েন্ট মানলে সিজোফ্রেনিয়ার রোগী অফিস ও পরিবার সক্ষমভাবে চালিয়ে যেতে পারবেন


 


ডা. সুলতানা এলগিন


সহযোগী অধ্যাপক
মনোরোগ বিদ্যা বিভাগ
কনসালটেন্ট , ওসিডি ক্লিনিক ও জেরিয়াট্রিক ক্লিনিক
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় , ঢাকা
___________________________

সিজোফ্রেনিয়া এবং সাইকোটিক ডিজঅর্ডার মানেই মহাবিপদের কিছু নয়। ভরসা রাখুন।

এখানে বলা ৫টি পয়েন্ট মানলে সিজোফ্রেনিয়ার রোগী দিব্যি অফিস , ব্যবসায় , কাজকর্ম ,পরিবার সুস্থ ও সক্ষমভাবে চালিয়ে যেতে পারবেন। হুটহাট ভায়োলেন্ট হয়ে বা আত্মহত্যার হুমকি ধমকি দিয়ে স্বজনদের ঘুম হারাম করবেন না।

১. সিজোফ্রেনিয়া এবং সাইকোটিক ডিজঅর্ডার এর রোগীদের ক্ষেত্রে ওষুধ রোগকে কন্ট্রোলে রাখে। কিন্তু বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিরাময় করে না। ওষুধ ছাড়লেই বিপদ। তাই ওষুধ খাওয়া চালিয়ে যেতে হবে। মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞর নিয়মিত ফলোআপে থাকতে হবে।

২.
সিজোফ্রেনিয়া /এন্টি সাইকোটিক মেডিসিন আছে বাজারে অনেক রকম , অনেক ওষুধ কোম্পানির। বিশ্বস্ত কম্পানিও কম নয়। কিন্তু একেক ওষুধ একেকজনকে স্যুট করে। এজন্য রোগীদের জন্য কোনটি প্রয়োজনীয় ওষুধ , তা বুঝতে সময় লাগে।
তাই ওষুধ শুরু করে কয়েক সপ্তাহ ধৈর্য না ধরে উপায় নেই।

৩. সিজোফ্রেনিয়া/ এন্টি সাইকোটিক মেডিসিন দীর্ঘ দিন খেতে হয়। রিল্যাপ্স বন্ধ বা কন্ট্রোল করার জন্য । মাঝ পথে ছেড়ে দেওয়ার কোন সুযোগ নেই।

৪. এসব ওষুধ হুট করে বন্ধ করা যাবে না।

৫. এসব বিষয় মেনে চলে সিজোফ্রেনিয়ার পেশেন্ট তার দৈনন্দিন জীবন যাপন, চাকুরি , সামাজিকতা , পরিবার সুন্দরভাবে চালিয়ে যেতে পারবেন। তার জীবন হবে স্বাভাবিক ও নির্ভরতাপূর্ণ।

৫ পয়েন্ট না মানলে বিপদ কোথায়
_____________________

গবেষণায় দেখা গেছে,
সিজোফ্রেনিয়ার রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে দরকারি চিকিৎসা নিয়ে রিলিজ পাওয়ার পর ১০ দিনের মধ্যে ২৫ শতাংশ রোগী অষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেন। ১ বছরের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং ২ বছরের মধ্যে ৭৫ শতাংশ ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেন।
পরবর্তীতে রোগী যখন আবার হাসপাতালে ভর্তি হন , তখন সুস্থ হতে আগের চেয়ে অনেক বেশী সময় লাগে। রোগের লক্ষণ অতিমাত্রায় বেড়ে যায়। সুইসাইডের প্রবণতা ৪ গুন বাড়ে।

আপনার মতামত দিন:


মন জানে এর জনপ্রিয়