Ameen Qudir

Published:
2017-02-24 06:26:38 BdST

'পয়সার লোভে' সিজারিয়ান : ঠেকাতে মানেকার প্রেসক্রিপশন


 

 

ডেস্ক রিপোর্ট
__________________________


সঙ্গত কারণ না থাকলেও যে ডাক্তাররা সিজারিয়ান অপারেশন করছেন, তাঁদের নাম প্রকাশ করে জনসমক্ষে অপমান করা উচিত বলে অভিমত জানালেন কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশুকল্যাণমন্ত্রী মানেকা গান্ধী।


তিনি চান, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা সব হাসপাতালকে নির্দেশ দিন, তারা যাতে বাধ্যতামূলক ভাবে সিজারিয়ান পদ্ধতিতে সন্তান জন্ম দেওয়ার চার্জ কত, তা সর্বসমক্ষে টাঙিয়ে দেয়। তিনি এ ব্যাপারে নাড্ডাকে চিঠিও দিয়েছেন।


সম্প্রতি Change.org শিরোনামে এক পিটিশনের মাধ্যমে অভিযোগ করা হয়েছে, স্বাভাবিক পদ্ধতির বদলে গর্ভবতী মায়েদের সিজারিয়ান পদ্ধতিতে অর্থাত্ অপারেশনের মাধ্যমে সন্তানের জন্মদানে বাধ্য করে বিপুল মুনাফা পকেট পুরছেন ডাক্তাররা, বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ওই পিটিশনের পক্ষে ইতিমধ্যে ১.৩ লক্ষ সই পড়েছে।


পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতেই কঠোর মনোভাব নিয়ে মানেকা নাড্ডাকে চিঠিতে লিখেছেন, সমস্যার মোকাবিলায় একাধিক পদক্ষেপ নিতে হতে পারে। একটি হল, এক মাসে কতগুলি স্বাভাবিক উপায়ে সন্তান প্রসব হয়েছে, সিজারিয়ান পদ্ধতিতেই বা কতগুলি হয়েছে, তা বাধ্যতামূলক ভাবে প্রকাশ করতে হবে নার্সিংহোমগুলিকে।


যে স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা শুধুমাত্র পয়সার লোভে, কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই সিজারিয়ান পদ্ধতিতে সন্তান প্রসব করাচ্ছেন, তাঁদের নাম প্রকাশ করে জনসমক্ষে হেয় করার কথাও ভাবা হচ্ছে। দেশের মহিলাদেরও বলছি, তাঁরা জোট বেঁধে এর বিরোধিতা করুন। কেননা সিজারিয়ান উপায়ে সন্তানের জন্ম দেওয়ায় অহেতুক ক্ষতি হয়, অপ্রয়োজনে অপারেশন করতে হয়।
পিটিশনটির পিছনে রয়েছেন জনৈক সুবর্ণা ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালগুলি বাধ্য হয়ে সিজারিয়ান অপারেশনের চার্জ সর্বসমক্ষে দেখালে গর্ভবতী মহিলারা বাছাবাছির সুযোগ পাবেন। বিভিন্ন হাসপাতাল, নার্সিং হোমে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে কত সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েছে, সেটাও জানা থাকলে কোন হাসপাতালে যাবেন, সেটাও ঠিক করতে পারবেন তাঁরা।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) বিধিতেও বলা হয়েছে, দেশে মোট যত সন্তান প্রসব হয়, তার ১০-১৫ শতাংশ সিজারিয়ান পদ্ধতিতে হওয়াই বাঞ্ছনীয়।

আপনার মতামত দিন:


কোথায় ডাক্তার এর জনপ্রিয়