Ameen Qudir

Published:
2017-01-15 03:48:14 BdST

চলো যাই , কফির কাপে চুমুক দেব সিমলায়


 

ডা. সৌগত রায়
________________________


চলে আসুন আজই সিমলায়। শীতে হি হি করে কাঁপছে সিমলা। বরফের দিন যাদের কাছে স্বপ্নের মত ; তাদের জন্য একদম হাতের কাছেই সিমলা।


চলো যাই , কফির কাপে চুমুক দেব সিমলায় ।
এখন অপূর্ব সিমলা সমতলের মানুষের কাছে। যদিও স্থানীয়দের কাছে দুর্ভোগের । রাস্তায় জমে যাচ্ছে বরফ। অপূর্ব সব অভিজ্ঞতা হবে সবুজ সমতলবাসীর জন্য।
চাইলে রওনা হতে পারেন আজই। বাস ট্রেন করেই অল্প খরচে পৌছে যাবেন এই স্বর্গভূমিতে।

 

হিমাচল প্রদেশকে বলা হয় দেবভূমি. হিমাচল প্রদেশের জনসংখ্যা (২০০১) ৬০৭৭২৪৮ জন. হিমাচলের রাজধানির নাম- সিমলা. পশ্চিম হিমালয়ের পার্বত্য রাজ্য যার নাম হল হিমাচল প্রদেশ।

হিমাচল প্রদেশের প্রচুর দেখবার মতো সুন্দর যায়গা আছে যেমন- সিমলা, রামপুর, সাংলা, কল্পা, সারহানা, মান্ডি, কুলু, মানালী, নাকো, টাবো, ডালহৌসী, রেকিংপিও, কাজা, রোটাং পাশ, মণিকরন ইত্যাদি।

এপ্রিল থেকে জুন এবং অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাসের সময়ে এখানকার আবহাওয়া খুব ভালো থাকে. শীতকালে অনেকগুলি যায়গাতে তূষারপাত হয় ।

 

সিমলা-
২১০০ থেকে ২৩০০ মিটার উচ্চতায় অবস্হিত হিমাচল প্রদেশের রাজধানি সিমলা. এখানে ব্রিটিশ যুগের নানা স্হাপত্যের নিদর্শন দেখা যায়.

এখানকার ম্যাল পর্যটকদের কাছে একটি বিশেষ আকর্ষন. এখানে দেখবার মতো কয়েকটি যায়গা হলো - চাদউইক জলপ্রপাত যা প্রায় ৭০মিটার দীর্ঘ, যার দুরত্ব সিমলা থেকে প্রায় ৭কিলোমিটার, সঙ্কটমোচন মন্দীর(সিমলা থেকে ৭কিলোমিটার) , তারদেবী মন্দীর (সিমলা থেকে ১১কিলোমিটার), ইনস্টিটিউট অব এডভান্স স্টাডিজ (সিমলা থেকে ৪কিলোমিটার), স্টেট মিউজিয়াম (সোমবার এবং ২য় শনিবার ছাড়া প্রিতদিন খোলা. সময় সকাল ১০টা থেকে বৈকাল ৫টা পর্যন্ত. সিমলা থেকে- ৩কিলোমিটার), গেইটি থিয়েটার, সিমলা কালিবাড়ি (বাঙালিদের জন্য অন্যতম, এখানে থাকার জন্য যায়গা আছে. অগ্রীম বুকিং এর জন্য ফোন নং- ০১৭৭ ২৬৫২৯৬৪. একদিনের টাকা অগ্রীম পাঠিয়ে বুকিং করে নিন, বাঙালিরা সিমলায় এখানেই থাকতে পছন্দ করেন), নলদেরা (সিমলা থেকে ২৩ কিলোমিটার), তত্তাপানি (সিমলা থেকে ৫৩কিলোমিটার), mmস্ক্যান্ডাল পয়েন্ট (এখান থেকে ভাইসয়রের কন্যা অপহৃত হয়েছিলেন) ইত্যাদি. হিমাচল ট্যুরিজম দপ্তরের কনডাকটেড ট্যুরে সিমলা ঘুরে নিতে পারেন, এর জন্য ট্যুরিষ্ট ইনফরমেশন অফিস (ম্যাল, সিমলা ফোন নং- ২৬৫২৫৬১) যোগাযোগ করুন. দেখতে পারেন সিমলার উচ্চতম জাকু হিলস, জাকু পাহাড়ের চূড়ায় অবস্হিত হনুমান মন্দীর, চাদউইক ফলস, প্রসপেক্ট হিলস, কামনাদেবীর মন্দীর ।


সিমলায় এক্সিস ব্যাঙ্কের এটিএম- ত্রিশুল টাউয়ার এবং ট্রাভেলস,৫৩, ম্যাল, সিমলা. এস.বি.আই এর এটিএম- স্ক্যান্ডাল পয়েন্ট, ম্যাল

সিমলা কি ভাবে যাবেন-


ঢাকা থেকে কলকাতা।
হাওড়া থেকে কালকা মেলে চেপে কালকা স্টেষনে পৌছান, কালকায় নেমে ট্রয়টেন ধরুন. ট্রয়টেনে চেপে সিমলায় পৌছান.
হাওড়া- কালকা মেল (২৩১১)- হাওড়ায় ছাড়বে প্রতিদিন সন্ধ্যে ৭টা ৪০ মিনিটে. দিল্লী পৌছাবে তার পরদিন রাত্রি ৮টা ৪৫ মিনিটে এবং কালকা স্টেষন পৌছাবে তারপরদিন ভোর ৪টে ৪০ মিনিটে. কালকা যাবার জন্য এটি সবথেকে ভালো ট্রেন. ভাড়া- স্লিপার ক্লাসে- ৪৭৩ টাকা, এসিতে- ১২৭৫টাকা. মোট স্টেষন সংখ্যা- ৩৯টা. কালকা থেকে হাওড়া ফেরার জন্য- ট্রেন নং- ২৩১২. কালকায় ছাড়বে- রাত্রি ১১টা ৫৫মিনিটে, এবং হাওড়া পৌছাবে - তৃতীয় দিন সকাল ৭টা ১০ মিনিটে. (৪ঠা আগষ্ট, ২০০৯ অনুযায়ী)
এছাড়া হাওড়/ শিয়ালদহ থেকে দিল্লী গিয়ে সেখান থেকে কালকাগামী যেকেন ট্রেনে কালকা চলে আসতে পারেন.হাওড়া থেকে দিল্লী যে ট্রেন গুলি আসছে যেমন- হাওড়া-রাজধানী এক্সপ্রেস (২৩০১)- হাওড়ায় ছাড়বে - রবিবার বাদে প্রতিদিন বৈকাল ৪টা ৪৫মিনিটে নিউদিল্লী পৌছাবে- তারপরদিন সকাল ৯টা ৫৫মিনিটে (ভাড়া এসিতে যথাক্রমে- ৩৩৬৫টাকা, ২০১০টাকা, এবং ১৫২০টাকা.),
হাওড়া-নিউদিল্লী পূর্বা এক্সপ্রেস (২৩০৩). হাওড়ায় ছাড়বে- সোম, মঙ্গল, শুক্র, শনিবার সকাল ৮টা ৫মিনিটে এবং নিউদিল্লী পৌছাবে- তারপরদিন সকাল ৭টা ৫মিনিটে. বুধ, বৃহ, শনি তে চলে ২৩৮১ পূর্বা এক্সপ্রেস হাওড়ায় ছাড়বে- সকাল ৮টা ২০মিনিটে এবং নিউদিল্লী পৌছাবে- পরদিন সাকল ৭টা ৫ মিনিটে (ভাড়া- স্লিপারক্লাসে- ৪৪২টাকা,এসিতে ভাড়া যথাক্রমে- ২৭৪৩টাকা,১৬২৩টাকা এবং ১১৮৭টাকা)
উদয়আভা তুফান এক্সপ্রেস (৩০০৭) - হাওড়ায় ছাডবে প্রতিদিন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে এবং নিউদিল্লী পৌছাবে- পরদিন সন্ধ্যে ৭টা ৫৫ মিনিটে. মোট স্টেষন সংখ্যা- ৮২টি.
শিয়ালদহ-নিউ দিল্লী রাজধানী এক্সপ্রেস (২৩১৩) - শিয়ালদহ ছাড়বে প্রতিদিন বৈকাল ৪টে ৪০মিনিট এবং নিউ দিল্লী পৌছাবে- পরদিন সকাল ১০টা ৩৫মিনিটে. মোট দুরত্ব- ১৪৫৪কিলোমিটার. মোট স্টেশন সংখ্যা- ৮টি.
নিউদিল্লী থেকে কালকা যাবার বিভিন্ন ট্রেন-
পশ্চিম এক্সপ্রেস (২৯২৫) নিউদিল্লী থেকে ছাড়বে প্রতিদিন সকাল ১০টা ৫০মিনিট এবং কালকায় পৌছাবে এই দিন বৈকাল ৪টে ৩০মিনিটে. (ভাড়া- স্লিপার ক্লাস এ ১৭৫টাকা)
কালকা শতাব্দি এক্সপ্রেস (২০০৫) নিউদিল্লী থেকে ছাড়বে প্রতিদিন বৈকাল ৫টা ২৫মিনিটে এবং কালকা পৌছাবে রাত্রি ৯টা ২০মিনিটে. (ফাস্ট ক্লাস এসি- ৮৬০টাকা, এসি চেয়ার কার- ৪৫০টাকা) মোট ৩০৩কিলোমিটার.
কালকা-শতাব্দি এক্সপ্রেস (২০১১) নিউদিল্লি থেকে ছাড়বে- প্রতিদিন সকাল ৭টা ৪০মিনিটে এবং কালকায় পৌছাবে- সকাল ১১টা ৪৫মিনিটে.
হিমালয়ান কুইন (৪০৯৫) নিউদিল্লি থেকে ছাড়বে প্রতিদিন ৫টা ৪০ মিনিট কালকায় পৌছাবে সকাল ১১টা ১০ মিনিটে.
কালকায় পৌছে ট্রয়ট্রেনে মোট ৯৬কিলোমটিরা পথ রওনা দিন সিমলার উদ্দেশ্যে. মোট ১০৩টি টানের পাবেন এই রাস্তায়. এটি একটি রোমাঞ্চকর যাত্রা.
কালকা থেকে যে সব ট্রেন সিমলা যাচ্ছে- কালকা সিমলা প্যাসেঞ্জার (কালকায় ছাড়বে- প্রতিদিন ভোর ৪টে তে এবং সিমলা পৌছাবে- সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে) (ভাড়া- ১৮৯টাকা)
শিবালিক এক্সপ্রেস(২৪১) কালকায় ছাড়বে- ভোর ৫টা ৩০মিনিট, সিমলায় পৌছাবে- সকাল১০টা ১৫ মিনিটে (ভাড়া ২৮০টাকা)
কালকা সিমলা এক্সপ্রেস (২৫১) কালকায় ছাড়বে- ভোর ৬টায় , সিমলায় পৌছাবে- সকাল ১১টায় (মোট ভাড়া- ২২৮টাকা)
হিমালয়ান কুইন (২৫৫) কালকায় ছাড়বে- দুপুর ১২টা ১০মিনিটে , সিমলায় পৌছাচবে- বৈকাল ৫টা ২০ মিনিটে (মোট ভাড়া- ১৬৭টাকা)

 

সিমলায় কোথায় থাকবেন-
সিমলায় থাকার জন্য প্রচুর হোটেল আছে যেমন- হোটেল ইভ (+91 999 66 20365), হোটেল সূর্য (+91-177-2801979, 2804724, +91- 93185-01389, 98050-42220), হোটেল সিতা প্যালেস (Tel- 0177 2655423), হোটেল কোহিনুর (সিমলার লোকাল বাস স্ট্যান্ডের কাছে, Tel-0177 2802008), হোটেল অপ্সরা (কার্ট রোড, সিমলা- Tel-0177 2811652), হোটেল মধুবন (Tel-0177 2801044), সিমলা কালিবাড়ি (এটি বাঙালিদের কাছে খুব প্রিয়, ফোন নং- ০৯৮১৬০২৭০৫৩), হোটেল ক্যাপিটেল- (০১৭৭-২৬৫৩৫৮২), হোটেল ডালজিল (০১৭৭-২৮০৬৭২৫), হোটেল শীলা (০১৭৭-২৬৫৭৩৬৯), হোটেল মহারাজ (০১৭৭-২৬৫৭৭৮৮), হিমল্যান্ড ওয়েস্ট (০১৭৭-২৬২৪৩১২), হোটেল সিংগার (ম্যালের কাছে, (177) - 2652881 , 2658481), হোটেল সংগীত (ম্যাল, (177) - 2802506 , 2802506 ), গুলমার্গ হোটেল ((177) - 2653168 , 2656968 , 2657766), মেরিনা হোটেল (ম্যাল, ০১৭৭-২৮০৬১৪৮)


হিমাচল ট্যুরিজমের ফোন নং- 0177 - 2625864 / 2625924 / 2623959 / 2625511 টোল ফ্রি ফোন নং- 1800-180-8077,
সিমলার পুলিশ স্টেষনের নং- ২৬৫৭৪৩০, এম্বলেন্স- ২৮০৪৬৪৮, ট্যুরিষ্ট ইনফরমেশন অফিস (ম্যাল)- ২৬৫২৫৬১.
সিমলা মেইন বাস স্ট্যান্ড- ২৬৫৮৭৬৫, রেল অনুসন্ধান- ২৬৫২৯১৫

মানালি
মানালি দিল্লি থেকে ৫৫০কিলোমিটার দুরত্বে অবস্হিত. ২০৫০ মিটার (৬৩৯৮ফুট) উচ্চতায় অবস্হিত মানালি একটি শৈলশহর. মানালি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় একটি যায়গা. মানালিতে দেখবার মতো প্রচুর যায়গা আছে যেমন- হিড়িম্বা মন্দির (১৫৫৩ সালে তৈরী হয়েছে), বশিষ্ট উষ্ণ কু্ন্ড, গৌতম মুনির আশ্রম, মনুমন্দির, মানালির ম্যাল খুবই জমজমাট একটি যায়গা. প্রচুর দোকান, রেস্তোরা, হোটেল এখানে দেখা যায়. এখানে পর্যটকরা শাল, টুপি, শীতবস্ত্র, সোয়েটার ইত্যাদি কেনাকাটা করেন. মানালি বিপাশা নদীর তীরে অবস্হিত. মানালি থেকে চলে আসুন রোটাং পাশ দেখতে. রোটাং পাশের উচ্চতা ৩৯৭৯ মিটার. মানালি থেকে রোটাং মোট প্রায় ৫২ কিলোমিটার রাস্তা. চারিদিকে বরফে ঢাকা প্রকৃতির শোভা অসাধারন. সিমলা থেকে বাসে ১১-১২ ঘন্টার যাত্রা করে চলে আসুন মানালিতে. এছাড়া দিল্লি, চন্ডিগড়, ধরমশালা থেকেও আসতে পারেন মানালি.

মানালিতে কোথায় থাকবেন-
মানালি জুড়ে রয়েছে প্রচুর হোটেল. মানালি ইন (01902-253550 - 54), আ্যপেল কান্ট্রি (+91 - 1902 254187 - 89), স্পান রিসোর্ট ((01902) 240138, 240538), স্নোভ্যালি রিসোর্ট (01902- 253228, 253027), হানিমুন ইন (+91-1902-253234/253235/253236), উড ভ্যালি কটেজ (01902-252546), অম্বিকা হোটেল (01902-252203), অনুপম রিসোর্ট (252181), হোটেল মঙ্গলদীপ (9831116844), হোটেল আদর্শ(252493, 252593), আকাশদ্বীপ (252106, 252442), হলিডে হোম ইন্টারন্যাশানাল (252101), কুনজুম হোটেল(253197), ডায়মন্ড হোটেল (253058) ইত্যাদি.
মানালিতে এস.বি.আই এর এটিএম-এইচপি, মানালি-১৭৫১৩১

কুলু-
কুলু আসতে সিমলা থেকে বাসে প্রায় ১০ঘন্টা মতো সময় লাগে. সিমলা থেকে কুলুর দুরত্ব প্রায় ২২০ কিলোমিটার. চণ্ডিগড় থেকে কুলুর দুরত্ব ২৭০ কিলোমিটার. পাঠানকোট থেকে দুরত্ব প্রায় ২৮০ কিলোমিটার. সিমলা থেকে প্রচুর বাস আসছে কুলুতে. কুলুর এস.টি.ডি নং- ০১৯০২. কুলুকে বলা হয় ভ্যালি অব গডস. পাইন আর দেবদারু গাছে ঘেরা উপতক্যা হলো কুলু উপতক্যা. বসন্তকালে কুলু উপতক্যা আপেল, নাশপাতি আর চেরি ফলে সাজানো থাকে. কুলুতে দেখার মতো জগন্নাথ মন্দীর (ভেখলী গ্রাম), ৪কিলোমিটার দূরে বৈষ্ণোদেবীর মন্দীর, বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় ৮কিলোমিটার দূরে বিজলেশ্বর মন্দীর (শিব মন্দীর). কুলুর প্রানকেন্দ্র হলো ঢালপুর ময়দান. ঢালপুরেই আপনি পাবেন সরকারী বিভিন্ন অফিস, বাসস্ট্যান্ড, স্টেট ব্যাঙ্ক, বিভিন্ন হোটেল, ট্যুরিষ্ট ইনফরমেশন অফিস(ফোন নং-২২৪৬০৫) ইত্যাদি. কুলুতে পুলিশ স্টেষন আছে ঢালপুরে (ফোন নং- ২২২৭৭৫). হাসপাতাল- বিস হসপিটাল (ম্যাল রোড, ফোন- ২২৪৩১২), ডিস্ট্রিক্ট জোনাল হাসপাতাল (ঢালপুর, ফোন- ২২২৩৫০), কুলু মেডিক্যাল সেন্টার (আখাড়া বাজার, ফোন- ২২৪৫২৪). বাস স্ট্যান্ডের ফোন নং- ২২২৭২৮)
কোথায় কোন ব্যাঙ্ক আছে- কানারা ব্যাঙ্ক (আখাড়া বাজার, ফোন নং- ২২২১৩৪), জম্মু কাশ্মীর ব্যাঙ্ক (আখাড়া বাজার, ফোন নং- ২২২২২৭) , ওরিয়েন্টাল ব্যাঙ্ক অব কমার্স ((আখাড়া বাজার, ফোন নং-২২৪১০৮), পাঞ্জাব ন্যাশানাল ব্যাঙ্ক ((আখাড়া বাজার, ফোন নং-২২২৪৮০), স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (ঢালপুর, ফোন-২২২৪৭৩)

কুলুতে থাকার জন্য প্রচুর হোটেল আছে. হোটেল সর্বরি (২২২৪৭১), হোটেল সিলভারমুন (২২২৪৮৮), সেন্ট্রাল হোটেল (২২২৪৮৪), রামনিক হোটেল (২২২৫৫৮), বৈশালী হোটেল (গান্ধীনগর ২২৪২২৫), বিক্রান্ত হোটেল (২২২৭৫৬), হোটেল সঙ্গম (২৬৬০৯১), হোটেল এয়ারলাইনস (২৬৫৫৪৫), হোটেল কুলু ভ্যালি(২২২২২৩), হোটেল ব্লু ডাইমন্ড(২২২৫৫৯), হোটেল সির্দ্ধার্থ (২২৪২৪৩), ইত্যাদি. বাসস্ট্যান্ডের কাছে হিমাচল ট্যুরিজমের মোনাল ক্যাফেতে ভালো খাবার পাওয়া যায়.

ধরমশালা
ধরমশালায় দেখবার মতো যায়গাগুলি হলো- দলাই লামার আবাসস্হল, ডাল লেক, ভাগসুনাগ জলপ্রপাত, সেন্টস জনস চার্চ, ধরমকোট, কুনাল পাথারি গুহা মন্দির, কাবেরী সরোবর, কালী ও দূর্গাসা মন্দীর, ওয়ার মেমোরিয়ালটি (শহিদ স্মরণে), তিব্বত মিউজিয়াম, তিব্বতিয়ান লাইব্রেরী ইত্যাদি. পাঠানকোট থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে বাসে ধরমশালা চলে আসুন. ডালহৌসি থেকে ধরমশালা আসতে পারেন যার দূরত্ব ১২৬ কিলোমিটার মতো. সেক্ষত্রে পাঠানকোট যাবার দরকার হয় না. এছাড়া চন্ডিগড় থেকে বাসে ধরমশালা চলে আসতে পারেন. তবে পাহাড়ে যারা যাবেন তাদের উচ্চতার কারনে শ্বাশজনিত কষ্ট হতে পারে, তাই প্রয়োজনিয় ওষুধ সঙ্গে রাখতে ভুলবেন না.

কোথায় থাকবেন
ধরমশালায় থাকার মতো অনেক হোটেল আছে. কিছু হোটেলের নাম ও ফোন নং দেওয়া হলো কাজে লাগতে পারে. যেমন- সুরভি (০১৮৯২-২২৪৬৭৭), আকাশ গেষ্ট হাউস ( 01892-221990), গ্রীন হোটেল (+91 1892-221200 / 221479), পিঙ্ক হাউস (+91-94181-43227/01892-221145), রিভার ভিউ এপার্টমেন্ট (9816206406, 9816292228) , এনেক্স হোটেল (+91-1892-221002), ভাগসু হোটেল (01892-221091), হোটেল সেভেন সিজ (+91-1892-221573), হোটেল সিটি হার্ট (+91-1892-223761) ইত্যাদি.
এস.বি.আই ব্যাঙ্কের এটিএম- কোতয়ালী বাজার, ধরমশালা-১৭৬২১৫ . স্টেট ব্যাঙ্ক অব পাটিয়ালা- লোয়ার ধরমশালা, রেড ক্রস বিল্ডং, ধরমশালা- ১৭৬২১৫

সাংলা-
সারহান থেকে জিওরি চলে এসে জাতিয় সড়ক ধরে চলে আসুন সাংলার দিকে. রাস্তার কিছুটা অংশ খুবই ধুলো. সাংলা থেকে সরাসরি কল্পা যাবার জন্য বাস পাওয়া যায়. সাংলার এস.টি.ডি কোড- ০১৭৮৬. সিমলা থেকে সাংলার দুরত্ব ২৩২কিলোমিটার এবং সারহান থেকে দুরত্ব- ৯৪ কিলোমিটার. সাংলায় দেখার মতো অনেক জায়গা আছে তার মধ্যে কাঠের কামরু দুর্গ যেটা বাসস্ট্যান্ড থেকে ২কিলোমিটার দুরে, দূর্গের ভিতরে কামাখ্যা মায়ের মন্দীর আছে. কামরা দূর্গ দেখে চলে আসুন বেরিনাগের মন্দির.
এখানে থাকার জন্য কয়েকটি হোটেলের নাম ও তাদের ফোন নং- মোনাল রিজেন্সি (২৪২৯২২), সাংলা রিসোর্ট (২৪২৪০১), হোটেল দেবভূমি রিজেন্সি (২৪৩০৩০), হোটেল মাউন্ট কৈলাশ, প্রকাশ গেষ্ট হাউস, ইগলো ক্যাম্প রিসোর্ট, বান্জারা ক্যাম্প (হোটেল বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন-ইষ্টান ট্যুরিজম, ৯২৩০৬৫৩৬৯৫)

কল্পা-
২৯৬০ মিটার উচ্চতায় পাইন, দেবদারুতে ঘেরা শহর কল্পা.রেকংপিও হয়ে কল্পা পৌছাতে হবে. রেকংপিও থেকে কল্পার দুরত্ব প্রায় ১২কিলোমিটার. কল্পাতে আপেল, আঙুর, আখরোট জাতিয় গাছ দেখা যায়. এখানে বৈদ্ধধর্মের প্রভাব দেখা যায়া, কারন কল্পা তিব্বতের খুব কাছে. এখানে একটি বৈদ্ধগুম্ফা আছে, এছাড়া চন্ডিকা দেবির মন্দির, ভৈরব মন্দির. সদর হাসপাতালেক কাছে এসে সমস্হ কল্পাকে দেখা যায়. এখান থেকে কৈলাস শৃঙ্গ কাছে থেকে দেখা যায়.
সিমলা থেকে সরাসরি কল্প যেতে পারেন. সিমলা থেকে কল্পা যেতে মোটামুটি ১২ঘন্টার মতো সময় লাগে.কল্পা থেকে সিমলা ফেরার বাস ছাড়ে সকাল ৬টা নাগাদ এবং সিমলায় পৌছায় সন্ধ্যের সময়.
কল্পায় থাকার জন্য হোটেল শিবালিক (০১৭৮৬-২২৬১৫৮), কিন্নর কৈলাশ (২২৬১৫৯),(ইষ্টান ট্যুরিজমের এই হোটেল গুলি বুকিং করতে পারেন- হোটেল ব্লু লোটাস, হোটেল কিন্নর ভিলা, কৈলাশ ভিউ গেষ্ট হাউস -ফোন নং-৯২৩০৬৫৩৬৯৫)
রোটাং লা পাস-
মানালী থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্হিত রোটাং লা পাস. হিমাচল ট্যুরিজমের দ্বারা বাসে করে রোটাং পাস ঘুরিয়ে আনা হয়. গাড়ি ভাড়া করে ঘুরে আসতে পারেন রোটাং পাসে. মানালি থেকে যাবার পথে অজুর্ন গুম্ফা এবং ঠান্ডা জলের প্রসবণ নেহেরু কুন্ড দেখে নিতে পারেন. এছাড়া যেতে পারেন সোলাং ভ্যালি. এখানে জানুয়ারী মাস থেকে মার্চ-এপ্রিস মাস পর্যন্ত বরফ পাওয়া যায়. রোটাং এ আপনি বরফে স্লেজ গাড়িতে ঘুরতে পারেন. রোটাং পাস এ প্রচন্ড ঠান্ডা সাথে কনকনে হাওয়া. রোটাং যাবার পথে বিপাশা নদী পাবেন. রোটাং এ থাকার জন্য কোন হোটেল পাবেন না. তাই দিনের মধ্যেই রোটাং দেখে মানালী ফিরে চলে আসুন. হিমাচল প্রদেশে ভ্রমনে এসে রোটাং পাশ অবশ্যয় দেখবেন । .
লেখার তথ্যাদি হিমাচল ট্যুরিজমের সৌজন্যে। লেখক ।
GENERAL INFORMATION OF HIMACHAL PRADESH-

Himachal Pradesh is Popularly known as the Devbhumi – "Land of the Gods",.
CAPITAL:- Shimla ** No. of Districts- 12 Nos. ** Literacy- 77.13% (As on 2001) ** Latitude- 30o 22' 40" N to 33o 12' 40" N *** Population- 6077248 (As on 2001)
Chief Minister- Prof. Prem Kumar Dhumal

SOME USEFUL INFORMATION

For Hotel Booking- https://www.himachalhotels.in/
Online Bus Booking- https://hrtc.gov.in/hrtctickets/Default.aspx (This website may be used for Advance Booking of seats in Himachal Road Transport Corporation (HRTC) buses)

Himachal Tourism

Website:www.himachaltourism.gov.in
Toll Free Number: 1800 180 8077
Block No. 28, SDA Complex, Kasumpti, Shimla-171009
ph.: 0177 - 2625864, 2625924, 2623959, 2625511
Fax: 0177 - 2625511/2625864

________________________________

লেখক ডা. সৌগত রায় , কলকাতা।

আপনার মতামত দিন:


ভ্রমণ এর জনপ্রিয়