Ameen Qudir

Published:
2019-10-03 15:30:33 BdST

বাড়তি ক্ষুধা কমাবেন? উপায় বাতলে দিলেন অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী


 

অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী

___________________________
* যখন ক্ষুধা লাগে তখন ভেবে দেখুন আপনি কি ক্ষুধার্ত? না তৃষ্ণার্ত। অনেকের এমন ভুল হয়। স্বাস্থ্যকর পানীয় পান করে দেখুন, দেখবেন ক্ষুধা মিটে গেলো। আসলে পানির তিয়াসে এমন অনুভূতি হয়েছিল। ওজন নিয়ন্ত্রণে এই কৌশলটি প্রয়োগ করা অনেক সময় বেশ কার্যকর।
* আমাদের মগজে রয়েছে তৃপ্তিকেন্দ্র , তৃপ্তিকেন্দ্র মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করে অনেকের ক্ষেত্রে: কিন্তু কখনও কখনও হয়ত সেই কেন্দ্রের আগ্রহ থাকে পানীয়ের প্রতি, ক্যালোরির প্রতি নয়। পাক নলে যখন হরমোন উৎসারিত হয়, অথবা যখন আহার করা হয় তখন তৃপ্তিকেন্দ্রে সাড়া জাগে। খাদ্য রক্তকে ভারি করে, তাই শরীর একে লঘু করার জন্য প্রয়াসী হয়।
* প্রথমে প্রশ্ন হলো আমাদের আহারের নমুনাটি কি রকম?
আহারপর্বকে কি তাড়িত করে মনের আবেগ? মন খারাপ হলে কি অতিভোজন হয়? বড় একটি পিৎজা সাবাড় করে ফেলি? আমাদের প্রত্যেকের রয়েছে আহারের বিশেষ ধরন, যা প্রভাব ফেলে আহারের সময়, স্ন্যাক নেয়ার সময় আচরণের ওপর।
* যখন ক্ষুধা লাগে তখন এক বা দুই গ্লাস পানি পান করে দেখুন। জাদুটি কাজে লাগে কিনা। এ ছাড়াও চেষ্টা করে দেখতে পারেন আরও স্বাস্থ্যপানীয় দিয়ে। যেমন-
* পান করুন গ্রীন টি
গ্রীন টিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পলিফেনোল। এই রাসায়নিকে রয়েছে শক্তিশালী এ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণাগুণ: ভিটামিন ‘সি’ থেকেও শক্তিশালী।
পলিফেনোল চা’কে দেয় তেতো ফ্লেভার, যেহেতু গ্রীন টির পাতাগুলো তরুণ ও কচি অক্সিডাইজড নয়, গ্রীন টিতে রয়েছে ৪০ শতাংশ পলিফেনোল (সাধারণ চায়ে আছে ১০ শতাংশ)। সাধারণ চা’য়ে যে পরিমাণ ক্যাফিন, এর এক-তৃতীয়াংশ আছে গ্রীন টিতে। অথচ গ্রীন টি পানে একই রকম এনার্জি এবং মনোযোগ পাওয়া যায় দেহ-মনে। চায়ের সঙ্গে দুধ মিশিয়ে পান করা এড়ানো উচিত। কারণ এতে চায়ের হিতকরী গুণ নষ্ট হয়ে যায়।
* কফি: ইনস্ট্যান্ট কফি বা ব্রুড কফি দুটোই। আছে ক্যাফিন ও স্বাস্থ্যকর পলিফেনোল। ইনস্ট্যাস্ট কফিতে রয়েছে আঁশ যা ভাল: একটি ১২ আউন্স কাপ ইনস্ট্যান্ট কফিতে আছে ৩ গ্রাম আঁশ। পলিফেনোল শোষণে তা সহায়ক।
* মদ্যপান: মদ্যপান কদাপি নয়। ক্যালোরি গ্রহণ বাড়ে, শুধু তাই নয়; এটি স্বাস্থ্যকর পানীয়ও নয়।

আপনার মতামত দিন:


ক্লিনিক-হাসপাতাল এর জনপ্রিয়