|

অন্তত: ১৩টি জটিল বিষয় শোনা বোঝা ও ডাক্তারি কয়েক মিনিটের মধ্যে সারতে হয়


Published: 2017-01-11 12:16:37 BdST, Updated: 2017-02-26 13:48:21 BdST

ডা. মিহির কান্তি অধিকারী
________________________

ডাক্তারের হাতের লেখা প্রসঙ্গ ।
তাদের হাতের লেখা খারাপ, বিস্তর আলোচনা, সমালোচনায় ফেসবুক ভেসে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য খাতের মেলা সমস্যা, এর মাঝে এটিও একটি। যাইহোক মহামান্যরা মনে করেন এটিই একটিমাত্র সমস্যা, তাই সমাধানে ব্যতিব্যস্ত হয়েছেন, ভাল উদ্যোগ।
কিন্তু কেন হাতের লেখা খারাপ হচ্ছে, সেটা নিয়ে কোন ভাবনা দেখছি না।

 

আউটডোরে রোগি দেখতে গেলে একই সাথে অনেকগুলো কাজ করতে হয়।
১. রোগীর সমস্যা শোনা
২. সম্ভাব্য রোগসমূহ চিন্তায় আনা
৩. সম্পূরক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা
৪. নোট নেয়া
৫. এর সাথে সাথে রোগীর সমস্ত উত্তর ও সমস্যা এনালাইসিস করতে থাকা ( মাথার মধ্যে)
৬. সম্ভাব্য পরীক্ষা নিরীক্ষা কি দিতে হবে সেটা ভাবা।
৭. ঔষধ পত্র কি দিতে হবে সেটা ভাবা
৮. ঔষধের সম্ভাব্য সাইড এফেক্ট ভাবা
৯. ঔষধের পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া ( ড্রাগ ইন্টার একশন ভাবা)
১০. রোগীর আর্থিক অবস্থা ভাবা, পরীক্ষা করা বা ঔষধ কিনতে পারবে কিনা তা ভাবা
১১. এবং এর সাথে সাথে লিখতে থাকা
১২. বাইরে অপেক্ষমান অন্যান্য রোগীর বিরক্তি প্রকাশক বাণী শুনতে থাকা।
১৩. লেখার সময়ও রোগী এবং তার সাথে যিনি এসেছেন তাদের অবিশ্রান্ত সমস্যা শুনতে থাকা

এই সমস্ত ব্যাপারগুলো একসাথে ঘটতে থাকে, এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে শেষ করতে হয়। এর মাঝেও কারো কারো হাতের লেখা অতোটা খারাপ হয় না। তাদের স্যালুট। যাদের লেখা খারাপ হচ্ছে, এই সব কিছুর পর লেখা কিভাবে " সুন্দর " হবে তার বাস্তব সম্মত "নির্দেশনা" দরকার।

_________________________________

 

ডা. মিহির কান্তি অধিকারী ।
Resident, Phase B, Internal Medicine at Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।