ডেস্ক

Published:
2021-04-30 11:10:59 BdST

অতিমারীর দু:সময়ে মন জাগানিয়া তিন চিকিৎসককে সম্মান জানালেন ঢামেক অধ্যাপক-ডাক্তারবৃন্দ


 

ডেস্ক
_____________________________

অতিমারীর দু:সময়কালে বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশকে জুড়ে দিয়ে আলোকিত করা দেশজুড়ে ভাইরাল তিন চিকিৎসক ডা. শাশ্বত চন্দন, ডা. আনিকা হোসেন খান ও ডাক্তার কৃপা বিশ্বাসকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও সম্মান জানালেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের সর্বস্তরের জ্যেষ্ঠ ডাক্তার অধ্যাপকবৃন্দ।


সিলেট অঞ্চলের ‘নয়া দামান’ গানটি শুনলেই এখন চোখে ভেসে ওঠে তিন ডাক্তারের নৃত্য। সেই নৃত্য নিয়ে যমুনা টেলিভিশন সংবাদ প্রচারের পর এখন দেশজুড়ে ভাইরাল তিন চিকিৎসক ডা. শাশ্বত চন্দন, ডা. আনিকা হোসেন খান ও ডাক্তার কৃপা বিশ্বাস।

তাদেরকে আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন জানালেন ঢাকা মেডিকেলের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকরা। বৃহস্পতিবার তাদের সবাইকে ফোন করে নিজ নিজ অফিসে ডেকে নেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. টিটো মিঞা, হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার নাজমুল হক, শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন ও পরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ।

তারা ফুল দিয়ে ও উত্তরীয় পরিয়ে নাচে অংশ নেয়া তিনজনকে অভিনন্দন জানান।

এসময় ঢাকা মেডিকেলের পরিচালক ও কলেজ অধ্যক্ষ তাদের জানান, তাদের নাচটি গোটা দেশের চিকিৎসক সমাজ ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। এমনকি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকেও মন্ত্রীসহ অন্য কর্মকর্তারা প্রশংসা করেছেন।

ফুলেল অভিনন্দন জানিয়ে ডা. সামন্ত লাল সেন এই চিকিৎসকদের জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই নাচটি দেখে প্রশংসা করেছেন।

এনিয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগের একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সহ-সভাপতি শাশ্বত চন্দন যমুনা টেলিভিশনকে জানান, এমন ইতিবাচক সাড়া পেয়ে তারা খুবই উজ্জীবিত। বিশেষ করে দেশের কিংবদন্তী চিকিৎসকসহ সবার এমন প্রতিক্রিয়া পেয়ে আনন্দিত তারা। চিকিৎসকদের উজ্জীবিত করতে সংবাদ প্রচার করায় যমুনা টেলিভিশনকেও ধন্যবাদ জানান ডা. শাশ্বত।


অধ্যাপক তাহমিদা হাসান লিখেছেন,
এ কেমন মানসিকতা??
তিনজন ইন্টার্ণী ডাক্তার ডা: শ্বাসত চন্দন, ডা: কৃপা বিশ্বাস ও ডা: আনিকা হোসেন খান ঢাকা মেডিকেল কলেজের হাসপাতালের করিডোরে ডিউটির ফাঁকে একটা সিলেটী গানের সাথে নেচে ভিডিও করেন। সেটি পোষ্ট করার সাথে সাথে ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই তাদের অভিনন্দিত করেন। তারই ফলশ্রুতিতে আনুষ্ঠানিক ভাবে তাদের ডেকে নিয়ে অভিনন্দন জানান ঢাকা মেডিকেলের পরিচালক, কলেজের অধ্যক্ষ ও আরো সিনিয়র চিকিৎসকেরা। আর এতেই গাত্র দাহ শুরু হয়ে যায় কিছু সতীর্থদের। তারা তীব্র ভাষায় আক্রমণ শুরু করেন নিতান্তই নবীন এই তিন চিকিৎসকদের।
তাদের প্রশ্ন - ঐ তিনজন কোভিড ইউনিটে ডিউটি করেন কি না?
নাই বা করল। তাতে কি তারা এটা করতে পারেন না?
সমালোচকদের প্রশ্ন - যেখানে করোনা যুদ্ধে এতজন ডাক্তার শহীদ হোল -তারা শহীদ ডাক্তারদের জন্য কি করেছেন ?
তারা তো নিতান্তই নবীন - এ প্রশ্ন নেতা আর জ্যেষ্ঠ ডাক্তারকে করুন - কতৃপক্ষকে করুন।
এটা নাকি কেরালার ডাক্তারদের নকল করা হয়েছে- এটা কিন্তু পৃথিবীর অনেক দেশেই ডাক্তার আর নার্সেরা করেছেন।ঐসব দেশে সবাই প্রশংসা করেছেন। কাউকে বিরুপ সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়নি।
কেউ কেউ লিখেছেন - কই আমরা তো অনুপ্রাণিত হইনি? নাইবা হলেন। সবার সবকিছু ভাল লাগবে না।
আপনি আপনার ভাললাগা নিয়ে থাকুন। কেন খামোখা কোমল প্রাণ নবীন চিকিৎসকের উদ্যোগের সমালোচনা করছেন?
কেউ লিখেছেন 'এর পর হয়তো ফ্ল্যাটও পাবেন!'- পেলোই বা। আপনার কি খুব হিংসে হচ্ছে?
মহামারীর এই সময়ে সবাই বিশেষ করে চিকিৎসকেরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। এই সময়ে তারা যদি নিজেরা সুস্থ থেকে অন্যকে কিছুটা চাঙা রাখে, সেটার মুল্যও কম নয়।
আপনার ভাল না লাগলে, দেখবেন না। মিটে গেলো। কোন বাধ্যবাধকতা তো নেই।অহেতুক সমালোচনা করে সংকীর্ণ মনের পরিচয় নাইবা দিলেন।
Tahmida Hassan
K-37
Professor of Dermatology ( Rtd)

আপনার মতামত দিন:


মেডিক্যাল ক্যাম্প এর জনপ্রিয়