RAHANUMA NURAIN AONTY

Published:
2026-01-14 20:42:56 BdST

নাক ডাকা বন্ধ করার উপায়: কখন ডাক্তার দেখাবেন



সংবাদ সংস্থা
_________________________

নাক ডাকা বন্ধ করতে জীবনযাত্রার পরিবর্তন, যেমন ওজন কমানো, পাশে ফিরে শোয়া, অ্যালকোহল ও ঘুমের ওষুধ এড়িয়ে চলা, এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা জরুরি; এছাড়া নাকের স্ট্রিপ, উঁচু বালিশ, বা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ডিকনজেস্ট্যান্ট ব্যবহার করা যেতে পারে, কারণ এটি স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো গুরুতর সমস্যার লক্ষণও হতে পারে, তাই সমস্যা গুরুতর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

জীবনযাত্রার পরিবর্তন
ঘুমানোর ভঙ্গি: পিঠের উপর না ঘুমিয়ে, পাশে ফিরে ঘুমানোর চেষ্টা করুন, যা শ্বাসনালীতে চাপ কমাতে সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত ওজন কমালে ঘাড়ের চর্বি কমে, শ্বাসনালীর উপর চাপ কমে এবং নাক ডাকা কমে।
অ্যালকোহল ও ঘুমের ওষুধ এড়িয়ে চলুন: ঘুমানোর আগে অ্যালকোহল বা সেডেটিভ সেবন করলে গলার পেশী শিথিল হয়ে নাক ডাকে, তাই এগুলো এড়িয়ে চলুন।
ধূমপান ত্যাগ করুন: ধূমপান শ্বাসনালীর নরম টিস্যুতে ফোলা সৃষ্টি করতে পারে, যা নাক ডাকাকে বাড়িয়ে তোলে।
নিয়মিত ব্যায়াম: নিয়মিত ব্যায়াম করলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়।
নির্দিষ্ট ঘুমের সময়সূচী: প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠা একটি ভালো অভ্যাস তৈরি করে।

ঘরোয়া প্রতিকার ও অন্যান্য পদ্ধতি
নাকের স্ট্রিপ ব্যবহার: এটি নাকের প্যাসেজ খুলে শ্বাস-প্রশ্বাস সহজ করে।
উঁচু বালিশ: নাক ডাকা কমাতে উঁচু বালিশ বা ওয়েজ পিলো ব্যবহার করুন, যা মাথাকে উঁচু রাখে।
নাকের পথ পরিষ্কার: অ্যালার্জি বা সর্দির কারণে নাক বন্ধ থাকলে ডিকনজেস্ট্যান্ট বা স্যালাইন স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন।
পেপারমিন্ট চা: এটি নাকের পথ খুলতে সাহায্য করতে পারে।

কখন ডাক্তার দেখাবেন
যদি নাক ডাকা খুব জোরে হয় এবং আপনি বা আপনার সঙ্গী এতে বিরক্ত হন।
যদি ঘুমের মধ্যে আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস থেমে যায় বা আপনি দমবন্ধ হয়ে জেগে ওঠেন (স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ হতে পারে)।
এই পরিবর্তনগুলো করার পরও যদি নাক ডাকার সমস্যা না কমে, তবে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত, কারণ এটি স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

 

 

আপনার মতামত দিন:


প্রেসক্রিপশন এর জনপ্রিয়