রাতুল সেন
Published:2020-06-25 16:02:10 BdST
৩৩ দিন লড়ে হার না মানা হার ডা. সমিরুলের
ডেস্ক
__________________
সমস্ত জীবনী শক্তি , মনোবল নিয়ে তিনি করোনার সঙ্গে লড়েছিলেন। দীর্ঘ লড়াই। একপর্যায়ে করোনা নেগেটিভও হন। অবশেষে হার না মানা হার মানলেন ডা. সমিরুল। চিকিৎসকরাও সর্বসাধ্য চেষ্টা করেছেন।
করোনা থেকে সারিয়ে তোলার জন্য প্লাজমা থেরাপিসহ সব ধরণের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সমিরুল ইসলাম একজন লোকপ্রিয় চিকিৎসক হিসেবে ছিলেন সবারি প্রিয়। সবার কল্যাণে তিনি সবসময় এগিয়ে যেতেন সকলের পাশে। তার পাশেও সবাই দাঁড়িয়েছিলেন। ২৪ জুন দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। কার্ডিয়াক অ্যারেস্টেই চট্টগ্রামের এই বরেণ্য চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।
করোনামুক্ত হওয়ার পর খানিকটা সেরে উঠায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে মেট্রোপলিটন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছিল কিছুদিন আগে। সেখানে একটি কেবিনে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন ডা. সমিরুল ইসলাম।
ডাক্তাররা জানান, তিনি ভাল হয়ে উঠছিলেন। মেট্রোপলিটন হাসপাতালের একটি কেবিনে তাকে অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়েই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। হঠাৎ সকালের দিকে তার অবস্থার অবনতি হয়। পরে আইসিইউতে নিয়ে ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়া হয় তাকে। আইসিইউতে নেওয়ার ঘন্টাখানেকের মধ্যে তিনি মারা যান।
২১ মে থেকে চমেক হাসপাতালের একটি কেবিনে চিকিৎসাধীন ছিলেন ডা. সমির। অক্সিজেন সেচুরেশন কমে গেলে ২৬ মে করোনা রোগী হিসেবে চট্টগ্রামে প্রথম প্লাজমা থেরাপি দেওয়া হয় তাকে। মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. অনিরুদ্ধ ঘোষের নেতৃত্বে ঢাকার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে একটি বিশেষ মেডিকেল টিম গঠন করে তার চিকিৎসা দেওয়া হয়। করোনার চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত আলোচিত সবগুলো চিকিৎসাই তার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়েছে।
পরে ৩১ মে ডা. সমিরুলের করোনা নেগেটিভ ফলাফল এলেও তিনি ঝুঁকিমুক্ত নন জানিয়ে ডাক্তার অনিরুদ্ধ চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেছিলেন, ‘তিনি (ডা. সমিরুল) এখন করোনামুক্ত। কিন্তু উনার রিকভারিটা নির্ভর করবে উনার লাঙস (ফুসফুস) কতদূর এফেক্টেড হয়েছে এটার ওপর। এক্ষেত্রে একটু দীর্ঘসময় লাগতে পারে উনার লাঙস ফাংশনটা পুরোপুরি নরমাল হতে।
________________INFORMAION________________

