Ameen Qudir

Published:
2020-03-11 13:32:48 BdST

" এক বছর ধরে আমরা রাস্তায় : শাহ মখদুম কারাগার থেকে মুক্তি চাই"


ডেস্ক
_______________

এক বছর ধরে আমরা রাস্তায় : শাহ মখদুম কারাগার থেকে মুক্তি চাই : এই আহাজারি আকুতি একদল চিকিৎসাবিজ্ঞান শিক্ষার্থীর। বিশাল স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজে। এখন সেই স্বপ্ন দু:স্বপ্ন। তারা এখন মুক্তি চান শাহ মখদুম নামক মেডিখেল কলেজের ঞয়রানি থেকে। তারা প্লাকার্ড , র্যালি, অবস্থান ধর্মঘট করে জানাচ্ছেন প্রতিবাদ। কেউ তা শুনছে না। তাদের কান্না গুমড়ে ফিরছে।

শাহ মখদুম পরিস্থিতি নিয়ে
অধ্যাপক ডা. এম আবুল হাসনাত মিল্টন দাবি করেছেন, অবিলম্বে রাজশাহীর শাহ মখদুম বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজের অনুমোদন বাতিল করা হোক, মেডিকেল সেক্টরের প্রতারক-সন্ত্রাসী চক্রকে গ্রেফতার করা হোক।

তিনি বলেন,
দুটো ছবি পেয়ে মনটা খুব বিষন্ন হয়ে গেলো। একজন মেডিক্যাল ছাত্রীর হাতের প্ল্যাকার্ডে লেখা, ‘এক বছর ধরে রাস্তায়’। অথচ মেয়েটির থাকার কথা ছিল হয় ক্লাসে, নইলে হাসপাতালের ওয়ার্ডে কিংবা লাইব্রেরিতে। আরেকজন মেডিক্যাল ছাত্রীর হাতের প্ল্যাকার্ডে লেখা, ‘শাহ মখদুম নামক কারাগার থেকে মুক্তি চাই’। যে মেডিক্যাল কলেজের হবার কথা ছিল স্বপ্ন বাস্তবায়নের কারখানা, সেটি হয়েছে আজ কারাগারতুল্য।

প্রায় ছয় বছর ধরে মেডিক্যাল কলেজটি চালু হয়েছে, অথচ মেডিক্যাল শিক্ষা প্রদানের ন্যূনতম শর্তগুলো তারা মানেনি। অধিকাংশ বিভাগে শিক্ষক নাই, ৪৮ শয্যার একটা নামকাওয়াস্তে হাসপাতালে রোগী ভর্তি থাকে ২/৩ জন। আজ অব্দি বিএমডিসির অনুমোদনও পায়নি। অথচ ছাত্রদের কাছ থেকে ডোনেশনের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে কলেজের মালিকপক্ষ।
অধ্যাপক ডা. এম আবুল হাসনাত মিল্টন বলেন,
দেরিতে বিএমডিসি, রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের টনক নড়লেও কলেজের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের ঔদ্ধত্য কমেনি। অভিযোগ আছে, প্রথমে বহিরাগত মাস্তান দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের হুমকি-ধামকি দিয়ে সুবিধা করতে না পেরে ঢাকায় গিয়েছিল সিস্টেম করে সবকিছু ম্যানেজ করতে। কিন্তু তাদের হয়তো জানা ছিল না, শত সীমাবদ্ধতা সত্বেও বর্তমান বিএমডিসির কাউকে অন্যায্যভাবে ম্যানেজ করা যায় না। সংগ্রামী নেতা ডা. জালাল-ডা. রোকেয়া সুলতানা- ডা. ইকবাল আর্সলান-ডা. শারফুদ্দিন ভাইদের আর যাই হোক বৈষয়িক লোভ দেখিয়ে বশ করা যায় না।
অধ্যাপক ডা. এম আবুল হাসনাত মিল্টন বলেন,
আজ বিএমডিসির একটি টিম শাহ মখদুম মেডিক্যাল কলেজে পরিদর্শনে গিয়েছেন। সেখানে টিমের মুখোমুখি অনেক ভাড়াটে শিক্ষক দেখলাম। টিমের সামনে ছাত্রছাত্রীরা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ পরিদর্শন করেছে।
অধ্যাপক ডা. এম আবুল হাসনাত মিল্টন বলেন,
পরিদর্শন টিমের কাছে পুরো ব্যাপারটাই পরিষ্কার। আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি, অবিলম্বে শাহ মখদুম মেডিক্যাল কলেজের অনুমোদন বাতিল করা হোক এবং কলেজের প্রতারক-সন্ত্রাসী চক্রকে কে গ্রেফতার করা হোক। কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে মাইগ্রেশনের ব্যবস্থা করা হোক।

আপনার মতামত দিন:


মেডিক্যাল ক্যাম্প এর জনপ্রিয়