SAHA ANTAR

Published:
2022-10-25 10:57:52 BdST

ডাক্তার-ফার্মাসিস্ট দম্পতির পুত্র ঋষি সুনাক : হিরো হবেন নাকি ভিলেন


 

ডেস্ক
______________

সুনাকের বাবা ডা. যশবীর ও মা ঊষা : প্রথম জন ডাক্তার। দ্বিতীয় জন ফার্মাসিস্ট । – দুজনেরই জন্ম ভারতের পাঞ্জাবে, ভালো কাজের সুযোগে ও পড়াশুনোর জন্য তারা বিদেশে পাড়ি দিয়েছিলেন। যশবীর সুনাক ব্রিটেনে একজন জিপি (জেনারেল প্র্যাকটিশনার) ডাক্তার হিসেবে ও ঊষা সুনাক ফার্মাসিস্ট হিসেবে কাজ করতেন।

ঋষি সুনাক নিয়ে কিছু বিশ্লেষণী লেখা।
Rishi: A Hero or a Villain শিরনামে অস্ট্রেলিয়া নিবাসী বাঙালি লেখক ডা. অভিষেক ভট্টাচার্য এক অনবদ্য বিশ্লেষণ লিখেছেন । সেটি লেখকের সৌজন্যে প্রকাশ হল।
================

লিজ ট্রাস আর সুনাকের ডিবেট দেখে সেদিন ই মনে হয়েছিল ট্রাস কিছু অসম্ভব স্বপ্ন দেখছেন। যাই হোক, সুনাক সেদিন ই বলেছিলেন এটা অসম্ভব কল্পনা। কিন্তু ট্রাস বলেছিলেন তিনি ফাইটার। তিনি অবশ্যই বাস্তবায়ন করবেন। ৪৫ দিনেই উনি যুদ্ধে ক্ষান্তি দিয়েছন। সারা বিশ্ব এখন কোভিড এর পর ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ধুকছে। inflation সব স্থানেই আকাশচুম্বী। অস্ট্রেলিয়ার সরকার জ্বালানীতে যে ভর্তুকি দিয়েছিল সেটা ৬ মাস পর উঠিয়ে নিয়েছে। এখন বিদ্যুতের দাম ও এখানে আকাশচুম্বী। ঘর ভাড়া পাওয়া রীতিমত সোনার হরিণ। নিত্য দ্রব্যর দাম মানুষকে কাহিল করে ফেলছে। এডিলেইড এয়ারপোর্ট এর কর্মচারী রা, ফায়ার ফাইটার রা গ্রীষ্মের ছুটিকে (ডিসেম্বর) সামনে রেখে বেতন বাড়ানোর জন্য স্ট্রাইকের হুমকি দিয়ে রেখেছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও সম্ভাব্য দুর্ভিক্ষের জন্য প্রস্তুত হতে বলেছেন। ডলারের বাজারের টালমাটাল অবস্থা। ভারতের অর্থনীতি যাচ্ছে ব্যাপক উত্থান পতনের মধ্য দিয়ে। এর মাঝে চীন ভারত সহ যেসব দেশ রুবল এ জ্বালানী ক্রয়ের চুকতি করতে পেরেছে তারা ইকোনমি কিছুটা স্থির রাখতে পেরেছে; যদিও খুব বেশী নয়। কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধের আফটার ইফেক্ট ভোগ করতে হচ্ছে পশ্চিমা জনগণ দের বেশী কেননা তারা জ্বালানী বিশেষ করে গ্যাসের কোন বিকল্প ব্যবস্থা করতে পারেনি। এর মাঝে ইউ কের অবস্থা শোচনীয় । কারণ ২০০৮ এর রিসেশনের ধাক্কাটা ইউ কের ২০০ বছরের স্টেবল অর্থনীতিতে বিশাল ক্ষতের সৃষ্টি করেছে। প্রত্যক দেশের কিছু না কিছু সম্পদ থাকে । ইউ কের সবচেয়ে বড় সম্পদ ছিল এর স্টেবল অর্থনীতি । যে কারণে এইচ এস বি সি সহ অনেক বড় বড় গ্লোবাল ব্যাংকের হেড অফিস ইউ কে তে। রিসেশান পরবর্তী ধাক্কা সামলাতে গিয়ে ইউ কের নেতৃত্বের জাতীয়তাবাদী বহু পুরানো মনোভাবের কারণে তারা ব্রেক্সিটের সিদ্ধান্ত নিল । এতে ইউরোপের অন্যান্য দেশ থেকে যারা আসত দক্ষ জনশক্তি তাদের আসা বন্ধ হয়ে গেল। বেড়ে গেল উৎপাদন খরচ । আর কোম্পানি গুলোর প্রফিট কমতে লাগল। এটা ইকোনমিতে stagflation নামে বেশ পপুলার থিওরি হয়ে দাড়ালো। এ ধরণের নিম্ন গামী অর্থনীতিকে আই সি ইউ তে যাওয়া রোধ করতে হলে সব সরকার ই প্রাইভেটাইজেশনের দিকে ঝুঁকবে। এটাই সবচেয়ে সহজ কৌশল। ইউ কের ক্ষমতাসীন পার্টী ও তাই করেছে। এক্ষেত্রে কর্তৃত্ব বজায় রাখতে সরকার গুলো নিজের কাছের লোক কেই সরকারই কোম্পানির দায়িত্ব দেবে, আর এ জায়গা টাতেই বিরোধীরা সমালোচনা করে। তবে এই সমালোচনা যৌক্তিক। যে কোন রেস্পন্সিবল বিরোধী দল তাই ই করবে। কিন্তু সমাধান কি। ছায়া মন্ত্রী সভার কাজ ই হলো সরকারের সিদ্ধান্তের খুঁটি নাটি যাচাই করে সং সদে তুলে ধরা। ইউ কের মত একটি শুদ্ধ চর্চার গণতান্ত্রিক দেশে পদ আঁকড়ে বসে থাকার কোন সুযোগ নাই। আপনি ক্রাইসিস থেকে উদ্ধার করতে পারলে আপনি হিরো, না হয় আপনি ভিলেন। তাই দ্রুত লিজ পাত তারি গুটিয়েছেন। সুনাকএকজন বিলিয়নিয়ার। ইউ কের যে অর্থনীতি দুটো বিশ্বযুদ্ধ, এতগুলো প্যান্ডেমিকে যা স্টেবল ছিল তা দীর্ঘ দিনের ঝুঁকি পূর্ণ পলিসির কারণে ২০০৮ এর রিসেশান সামলে উঠতে পারেনি। এরকম খাদের কিনার থেকে সুনাক অর্থনীতির চাকা ঘুরাতে চাইছেন। একজন বিলিয়নিয়ার হবার পর ও এত বড় রিস্ক তিনি না নিলেও পারতেন। তারপর ও তিনি সে স্থান থেকে ইউ কে কে ঘুরে দাড় করাবার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। হয় তিনি সফল হবেন, নয় জাতীয় খল নায়ক হবেন। এখন দেখার বিষয় ইতিহাসের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা থেকে তিনি ইউ কে কে উদ্ধার করতে পারেন কিনা। তাহলেই সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে। তবে সুনাক কেমন করবেন তার উত্তর পেতে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবেনা। প্রথম ১০০ দিন ই যথেষ্ট। তাকে অগ্রিম শুভ কামনা।

 

 

কে এই ঋষি সুনাক?

______________


যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাক। পেনি মর্ডান্ট সরে যাওয়ায় যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন তিনি। তাকে ঘিরে ভারতেও আগ্রহের কমতি নেই। শেষ পর্যন্ত সত্যিই ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে যাচ্ছেন ঋষি সুনাক।

শিক্ষা ও কর্মজীবন


সুনাকের বাবা যশবীর ও মা ঊষা – দুজনেরই জন্ম ভারতের পাঞ্জাবে, ভালো কাজের সুযোগে ও পড়াশুনোর জন্য তারা বিদেশে পাড়ি দিয়েছিলেন। যশবীর সুনাক ব্রিটেনে একজন জিপি (জেনারেল প্র্যাকটিশনার) ডাক্তার হিসেবে ও ঊষা সুনাক ফার্মাসিস্ট হিসেবে কাজ করতেন।

মেধাবী ছাত্র সুনাক আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে ফুলব্রাইট স্কলার হিসেবে এমবিএ-ও করেন। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুনাক ব্রিটেনের চ্যান্সেলর অব এক্সচেকার (অর্থমন্ত্রী) হন। সুনাকের আর একটা পরিচয় হল, তিনি ভারতের বিখ্যাত শিল্পপতি ও ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা এন আর নারায়ণমূর্তির জামাতা। নারায়ণমূর্তির কন্যা অক্ষতার সঙ্গে তার আলাপ স্ট্যানফোর্ডেই, পরে তারা দু’জনে বিয়ে করেন।


ঋষি সুনাক
সুনাক অর্থমন্ত্রী থাকাকালীনই জানাজানি হয়, তার স্ত্রী অক্ষতা ট্যাক্সের কারণে ‘নন ডমিসাইলড’ – অর্থাৎ বিদেশে তার উপার্জিত অর্থের জন্য তিনি ব্রিটেনে কোনও আয়কর দেন না। যদিও এর মধ্যে বেআইনি কিছু নেই, তবু ঋষি সুনাকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে বিরাট অস্বস্তি বয়ে এনেছিল।

রাজনৈতিক জীবন

রাজনৈতিক জীবনে ২০১৫ সালে ইয়র্কশায়ারের রিচমন্ড কেন্দ্র থেকে প্রথমবারের মতো সাংসদ হন ঋষি সুনাক। থেরেসা মে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি ‘লোকাল গভর্নমেন্ট’-এর প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। আর ২০১৯ সালে বরিস প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তার গুরুত্ব আরও বাড়ে। এরপর সরাসরি অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। বর্তমানে ব্রিটিশ কনজারভেটিভ পার্টিতেও জনপ্রিয় মুখ তিনি। এদিকে তরুণ প্রজন্মের নেতা হিসেবে সাধারণ মানুষের মধ্যে তার যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে সুনাকের।

 


২.


এই সহিষ্ণুতা ভারত দেখাতে পারবে কি? প্রসঙ্গ সুনক : শিরনামে আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে ::

ব্রিটেন ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিচ্ছে। ভারত কি এই সহিষ্ণুতা দেখাতে পারবে! ঋষি সুনক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসার আগেই এ দেশের রাজনীতিতে এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়ে গেল।

ব্রিটিশ রাজত্ব থেকে দেশ স্বাধীন হওয়ার পঁচাত্তর বছর পূর্তি উৎসবের মধ্যেই প্রথম কোনও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। তা নিয়ে অনেকেই আহ্লাদিত। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, ভারতে কি এমনটা হওয়া সম্ভব? বিদেশি বংশোদ্ভূত কাউকে মেনে নেওয়া তো পরের কথা, মোদী জমানায় যে ভাবে লোকসভা বা রাজ্যসভায় বিজেপির মুসলিম সাংসদ সংখ্যাই শূন্যে এসে নেমেছে, তার পরে সরকারের শীর্ষপদে কোনও সংখ্যালঘুকে মেনে নেওয়ার সম্ভাবনাই রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আজ কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুর মন্তব্য করেছেন, “যদি ঋষি সুনক ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হন, তা হলে আমার মনে হয়, আমাদের সকলকেই মানতে হবে যে ব্রিটিশরা গোটা বিশ্বে খুবই বিরল কাজ করেছেন। দেশের সব থেকে ক্ষমতাশালী পদে এক জন দৃশ্যত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে বসিয়েছেন। ঋষি সুনকের কৃতিত্বে আমরা ভারতীয় হিসেবে আনন্দ করছি। সৎ ভাবে জিজ্ঞাসা করা যায়, এখানে কি এমন হতে পারে?”

রাজনীতিকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, এ দেশে সনিয়া গান্ধীই বিদেশি বলে তাঁর প্রধানমন্ত্রীর পদ গ্রহণের বিরোধিতা হয়েছিল। শুধু বিজেপি নয়, কংগ্রেসের মধ্যেও এর বিরোধিতা হয়েছিল। তবে ইউপিএ জমানায় সংখ্যালঘু শিখ সম্প্রদায়ের মনমোহন সিংহ প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মুখে রামের পথে হেঁটে সবাইকে নিয়ে চলার কথা বলেন। কিন্তু বিজেপি আমলে লোকসভা হোক বা উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা, কোনও মুসলিমকে প্রার্থী করেনি বিজেপি। এখন রাজ্যসভাতেও কোনও মুসলিম বিজেপি সাংসদ নেই। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র টুইটারে লিখেছেন, “আমার দ্বিতীয় প্রিয় দেশ ব্রিটেনের জন্য গর্বিত যে তারা এক জন ব্রিটিশ এশীয়কে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে বসিয়েছে। ভারত আরও সহিষ্ণু হোক। সমস্ত ধর্ম, সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষকে গ্রহণ করা হোক।”

ঋষি সুনক ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ মূর্তির জামাতা। কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি মজা করে বলেছেন, “নারায়ণ মূর্তি ও সুধা ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে গিয়ে উঠলে ওই বাড়িটাকে তিন মূর্তি ভবন বলেও ডাকা যেতে পারে।”

 

: বিবিসি বলছে ::

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে জয়ী হয়েই ‘গভীর অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ’ এর মুখে স্থিতিশীলতা ও ঐক্যের ডাক দিলেন ঋষি সুনাক। সোমবার (২৪ অক্টোবর) প্রথম এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে তিনি এই সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন।

প্রতিদ্বন্দ্বী পেনি মর্ডান্ট এমপিদের কাছ থেকে পূর্ণ সমর্থন পেতে ব্যর্থ হওয়ার পর টোরি নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় জয়ী হলেন ঋষি সুনাক। প্রথম বক্তৃতায় সুনাক বলেন যে তার দল এবং যুক্তরাজ্যকে একত্রিত করা তার ‘সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’।

প্রথম ব্রিটিশ এশিয়ান এবং দু’শো বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। লন্ডনের স্থানীয় সময় সোমবার দুপুর ২টায় তাকে ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির (টোরি) নেতা ঘোষণা করা হয়। ৪২ বছর বয়সী ঋষি সুনাক একজন সনাতন হিন্দু ধর্মের এবং মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে রাজা চার্লস তাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেবেন।


ঋষি সুনাক ২০১৫ সালে রিচমন্ডের নর্থ ইয়র্কশায়ার থেকে প্রথমবার ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হন। ২০২০ সালে যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী হন তিনি। ঋষি সুনাকের স্ত্রী অক্ষতা মূর্তি। তাদের সংসারে দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

লিজ ট্রাসের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন ঋষি সুনাক, যিনি ক্ষমতাগ্রহণের ৪৫ দিনের মাথায় পদত্যাগের ঘোষণা দেন গত সপ্তাহে। কনজারভেটিভ পার্টির ১৯২২ কমিটির চেয়ারপারসন স্যার গ্রাহাম ব্রাডি ঘোষণা করেন, দলের নতুন নেতা নির্বাচনে শুধু সুনাকের মনোনয়নপত্র পেয়েছেন তারা। সে কারণে তাকে নতুন দলীয় প্রধান ঘোষণা করা হলো।

এদিকে, এরই মধ্যে অভিনন্দন পাচ্ছেন ঋষি সুনাক। যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রটারি জানিয়েছেন, রাজা চার্লসের সঙ্গে ঋষি সুনাকের বৈঠকের পর তাকে অভিনন্দন জানাবেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

ঋষি সুনাক তৃতীয় কনজারভেটিভ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন যেহেতু দলটি ২০১৯ সালে শেষ সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করেছে।


তবে বিরোধীদল লেবার পার্টি আবারও সাধারণ নির্বাচনের ডাক দিয়েছে। স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি, লিব ডেম এবং গ্রিন পার্টিও সাধারণ নির্বাচন দাবি করছে। যদিও ঋষি সুনাক আগাম নির্বাচন নাকচ করে দিয়েছেন এবং দলকে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

সূত্র: বিবিসি

 

আপনার মতামত দিন:


কলাম এর জনপ্রিয়