Ameen Qudir

Published:
2020-04-05 20:13:50 BdST

করোনা ভাইরাস এবং ডায়াবেটিক ফুট চিকিৎসায় টেলিপরামর্শ


ডা. অসিত মজুমদার
মানবতার সেবক
গরীবের ডাক্তার
___________________

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারীর এই নজিরবিহীন দুর্যোগকালে কোভিড ১৯ এবং ডায়াবেটিক ফুট রোগীদের জন্যও এক চরম চ্যালেঞ্জের সময় বলে প্রতিটি ডায়াবেটিক ফুট রোগীর জন্য আলাদা রুমের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন সম্বলিত পারসোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট নিয়ে চিকিৎসক বা অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবাদান কর্মীগণ চিকিৎসার যাবতীয় কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে।

IWGDF, D-Foot International and Diabetic Foot Australia are teaming up to try and answer these kind of questions. these answers are not medical advice, and we do not assume any liability or responsibility for damages or injury to any person or property arising from any use of any information, idea, or instruction contained below. Please also note in the face of a global crisis, we hope that collectively we can help each other make the best local evidenced based decisions with the global minds and resources we have available to us.

তাদের মতে এই মুহূর্তে সব রোগীকে আমরা হাসপাতালে ভর্তি না দিয়ে মোবাইল ফোন, ইমেইল বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যোগাযোগ, চিকিৎসা এবং ফিডব্যাক নিতে পারি এই করোনা মহামারী সময়কালে।
মারাত্মক ইনফেকশন, জরুরী পরীক্ষা নিরীক্ষা এবং অপারেশন লাগবে এমন রোগীই ভর্তির জন্য সুপারিশ করেছেন তারা। এক্ষেত্রে সাধারণ ইনফেকশন, ইস্কেমিয়া, প্রাথমিক পরীক্ষা নিরীক্ষা এবং মুখে খাবার ঔষধের বেলায় বর্তমান ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় হাসপাতালে না থেকে বাসায় চিকিৎসা নেবার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

ট্রাইয়েজের মাধ্যমে যারা মারাত্মক ইনফেকশন বা মাল্টিডিসিপ্লনারী চিকিৎসার প্রয়োজন এই মুহূর্তে তাদের ভর্তি করে দ্রুত অপারেশন শেষে দ্রুত বাড়ী পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে এবং পরবর্তীতে যতদূর সম্ভব টেলিহেলথের মাধ্যমেই ফলোআপ করে পরবর্তী চিকিৎসা চলমান রাখার কথা বলা হয়েছে।

Telehealth
Many DFD clinicians around the world are now shifting to telehealth. The most frequently used method by our clinicians are photos in combination with instant messaging, as these are accessible for many patients or their carers.

পাশাপাশি ফোনের মাধ্যমে অন্যান্য জরুরী তথ্য যেমন তাপমাত্রা, ব্যথা, ফোলাসহ অন্য কোন সমস্যা, ডায়াবেটিসের মাত্রা, পায়ে অফলোডিং বা ড্রেসিংসহ ওয়াকার বা রিমুভেবল কাস্ট ইত্যাদি জরুরী বিষয় নেয়ার সময় সদা সতর্কতা অবলম্বন করাটা খুবই অত্যাবশ্যক বলে জানিয়েছেন।

রোগীরা নিজেরা যেন নিয়মিত নিজেদের হাইজিন এবং করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হতে আত্মরক্ষা করার সঠিক উপায় অবলম্বন করে থাকে।
দ্বিতীয়তঃ নিয়মিত রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে যা এই পরিস্থিতিতে আসলেই খুব কঠিন কাজ।
তৃতীয়তঃ তারা যেন নিয়মমত অফলোডিং ডিভাইস এবং জুতা পরে থাকে এবং নিয়মিত পা চেক করেন।
চতুর্থতঃ লক ডাউনের সময়ে শারীরিক ব্যায়াম নিয়মিত করতে হবে যাতে শরীরে রক্ত প্রবাহ সচল রেখে প্রত্যেকটি কোষ উজ্জীবিত হয় এবং শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

এই মুহূর্তে করোনায় আক্রান্তের ভয়ে অনেক জরুরী এবং মাল্টিডিসিপ্লিনারি চিকিৎসার প্রয়োজন এমন রোগীরাও ভয়ে হাসপাতালে আসতে চায় না। তাদেরকে যতই নির্ভয় দেয়া হোক তারা আসলেই হাসপাতালে আসবার ভয় কাটানোর কোন সাহসই পাচ্ছে না।

আপনার মতামত দিন:


কলাম এর জনপ্রিয়