Ameen Qudir

Published:
2019-08-14 12:08:52 BdST

এই ফড়িয়ারা সব গিলে খাবে!এদেরকে আমরা কবে রুখবো, কিভাবে রুখবো ?


 

 

ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ

________________________

এই ফড়িয়ারা সব গিলে খাবে!
এদেরকে আমরা কবে রুখবো, কিভাবে রুখবো ?

সোস্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মাধ্যমে যেসব খবর আসছে তা চরম হতাশাজনক!
একটা আস্ত গরুর চামড়ার দাম কোথাও কোথাও ১০টাকা কোথাও কোথাও ৪০/৫০টাকাও না হওয়ায় অনেকেই চামড়া মাটিতে পুতে ফেলেছেন!

ঠিক কি বলবো, বুঝতে পারছি না!

যেসব ফরিয়া চামড়া ব্যাবসায়ীরা সিণ্ডিকেট করে চামড়ার এই অবমূল্যায়ন ঘটিয়েছে তাদের জন্য এটাই করা উচিৎ।

শুয়োরগুলো(ঐ পিশাচদের জন্য এই ভাষা ব্যাবহারে আমি মোটেও দুঃখিত নই, তাই আমার ভাষার জন্য ক্ষমা চাইলাম না) চামড়া না পেয়ে চামড়া ব্যাবসা না করতে পেরে না খেয়ে মরুক!

সরকারও এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চামড়া রপ্তানী করবে!

আমরাও চাই সরকার সরাসরি প্রান্তিক চামড়া ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে চামড়া কিনে বিদেশে রপ্তানী করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করুক।
রাষ্ট্রের কোষাগার ভারি হোক।

মধ্যসত্বভোগী ফড়িয়া চামড়া ব্যাবসায়ী শুয়োর সিণ্ডিকেটরা প্রান্তিক চামড়া ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে চামড়া না পেয়ে না খেয়ে মরুক!

সরকার মাত্র দু'তিন বছর এই সিদ্ধান্ত জারি রাখলেই শুয়োরগুলো সোজা হয়ে যাবে।

এই দু'তিন বছর লেদার গুডস মেকিং কোম্পানীগুলো প্রয়োজনে বাইরে থেকে চামড়া আমদানী করুক!
বুঝুক কতো ধানে কতো চাল!

২০বছর আগের ১২০০টাকার যে জুতার দাম তারা এখন ৫০০০টাকা ধরছে বিদেশ থেকে চামড়া আমদানী করলেও তাদেরকে সেই জুতার দাম ৫০০০টাকায়ই রাখতে হবে!

এই দু'তিন বছর এর চেয়ে বেশী দাম তারা বাড়াতে পারবে না কারন ক্রেতার ক্রয়ক্ষমতাও তাদেরকে মাথায় রাখতে হবে, সেটাও ব্যাবসার পলিসি!

তখন যে তাদের লাভ হবে না তা না!
তখনও তাদের লাভ হবে কিন্তু লাভ হবে খুব সীমীত!

মধ্যসত্বভোগী থেকে শুরু করে লেদার গুডস মেকিং কোম্পানী পর্যন্ত সকল চেইন অব সিণ্ডিকেট যখন চাপের মুখে পড়বে তখন ঠিকই তারা বুঝতে পারবে যে-
দেশের প্রান্তিক চামড়া ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে যদি তারা ন্যায্যমূল্যেও চামড়া কিনে তাহলেও তারা বিদেশ থেকে আমদানীকৃত চামড়ার চেয়ে বেশী লাভ করতে পারবে।

তখন যদি তারা সিণ্ডিকেট ভেঙে বেরিয়ে আসে তাহলে সরকার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে চামড়া রপ্তানী বন্ধ করে দিতে পারে।
ন্যায্যমূল্য না পেয়ে চামড়া মাটিতে পুতে ফেলার মতো ঘটনা নাও ঘটতে পারে।
আশা করা যায় তাতে সবকূলই রক্ষা পাবে।

সেই সুদিনের অপেক্ষায় থাকলাম।
_______________________
ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ।
সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ,স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, চিকিৎসক পরিষদ, বিএসএমএমইউ।
Doctor ,t Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University
Former Secretary General বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ শাখা ,দিনাজপুর।
Studied MBBS. at Dinajpur Medical College, Dinajpur

আপনার মতামত দিন:


কলাম এর জনপ্রিয়