Ameen Qudir

Published:
2018-07-28 10:46:57 BdST

বাংলাদেশে আসা মেডিকেল ছাত্রীদের নিয়ে জঘন্য কটুক্তিকারী নেপালী মন্ত্রীর পদত্যাগ


 

ডেস্ক_______________
শেষ রক্ষা হল না। মেডিকেল কলেজ বানিজ্যের প্রসারের প্রলোভনে এক ধুরন্ধর নেপালী মন্ত্রী বাংলাদেশে আসা সে দেশীয় মেডিকেল ছাত্রীদের নিয়ে জঘন্য মিথ্যাচার করেছিল। শেষ পর্যন্ত এই মন্ত্রীকে সরে দাঁড়াতে হয়েছে । এ নিয়ে ডাক্তার প্রতিদিন সবিস্তারে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। অবশেষে এল সুসংবাদ।
মেডিকেল শিক্ষা অতিপবিত্র । এখানে অনেক দুর্বৃত্ত অনেক সময় নানা জঘন্য প্রোপাগান্ডা ছড়ায়।
নেপালী ওই মন্ত্রীও সে দেশে প্রাইভেট মেডিকেল দেয়ার ধান্দায় প্রথমে নিজ দেশীয় মেডিকেল ছাত্রীদের চরিত্রের ওপর ঢালাওভাবে কলঙ্ক লেপন করে। যাতে সে দেশের ছাত্রীরা বাংলাদেশে মেডিকেল কলেজে পড়তে না আসে।

অবশেষে চাপের মুখে পদত্যাগ করেছে ওই কদর্যমন্তব্যকারী নেপালের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী শের বাহাদুর তামাং।

২০শে জুলাই এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী শের বাহাদুর তামাং বলেছিলেন, "মেডিকেলের উপর যারা বাংলাদেশে লেখাপড়া করতে যায়, সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্যে তাদেরকে সেখানে নিজেদেরকে বিক্রি করতে হয়।"

তার এই মন্তব্য নেপালে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করে। বিশেষ করে বাংলাদেশে পড়তে যাওয়া নেপালি শিক্ষার্থীরা মন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানায়। নেপালি শিক্ষার্থীরা বলেন, কোন ধরনের তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই মন্ত্রী তাদের ব্যাপারে মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন।

বাংলাদেশ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি নিয়ে সম্প্রতি নেপালে ফিরে যাওয়া ড. রোজি মানান্ধার বলেন, 'তিনি কি কখনো বাংলাদেশে পড়তে যাওয়া ছাত্রীদের কাছে এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়েছিলেন? কোন ধরনের প্রমাণ ছাড়াই তিনি একথা বলেছেন।

মন্ত্রী তামাং বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে ফিরে আসা কয়েকজন ছাত্রীর কাছ থেকে তিনি এধরনের অভিযোগের কথা শুনেছেন। তবে তিনি এও বলেছেন যে এসব অভিযোগের সত্যতা তিনি নিজে কখনো যাচাই করে দেখেননি।

কাঠমান্ডু গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, মন্ত্রী প্রথমে পদত্যাগ করতে চাননি। কিন্তু পরে তার দল ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপালের ভেতরেই তার উপর প্রচণ্ড রকমের চাপ তৈরি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে এবং একারণেই শেষ পর্যন্ত তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন।

আপনার মতামত দিন:


কলাম এর জনপ্রিয়