SAHA ANTAR

Published:
2022-11-01 12:04:58 BdST

ছেলের অঙ্গ দিয়ে ছ’জনের প্রাণ বাঁচালেন মা


অঙ্গদানে সর্বোত্তম পূণ্য । এক মহতী মা সন্তান হারানোর বেদনা উপশম করলেন এক মহান কাজ করে। ছেলের মৃত্যুর পরেও তাঁর অস্তিত্ব অনুভব করতে পূণ্যময় উদ্যোগ নিলেন তিনি। এ কাজে উদ্যোগী হতে বললেন অন্যদেরও।




 

সংবাদ সংস্থা

অঙ্গদানে সর্বোত্তম পূণ্য । এক মহতী মা সন্তান হারানোর বেদনা উপশম করলেন এক মহান কাজ করে।
ছেলের মৃত্যুর পরেও তাঁর অস্তিত্ব অনুভব করতে পূণ্যময় উদ্যোগ নিলেন তিনি। এ কাজে

উদ্যোগী হতে বললেন অন্যদেরও।
মৃত্যুর পরে যে দেহ যায় চিতায় বা কবরে, সেখানেই কি একেবারে ফুরিয়ে যাওয়ার কথা তার? ছাই হয়ে, পচে-গলে? না কি, নিজের অঙ্গ দিয়ে সেই শব ফের জ্বেলে যেতে পারে আলো?

২৭ বছর বয়সি ম্যানচেস্টার নিবাসী অ্যালেক্স নিউলভ ২০২০ সালে মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যু হয়। কিন্তু তাঁর অঙ্গ পেয়েই প্রাণে বেঁচে আছেন অন্য ছ’জন।

অ্যালেক্সের মা, জুডি কৌটিনহো সকলকেই মরনোত্তর অঙ্গদান করার জন্য অনুরোধ করেছেন, যাতে আরও জীবন বাঁচানো যায়। তাঁর মতে, এর থেকে বড় আর কোনও উপহার হয় না।


অ্যালেক্স মূলত টারলেটনের ল্যাঙ্কাশায়ারের বাসিন্দা। অ্যাকাউন্টেন্সি এবং ফিনান্স পড়ার জন্য আমেরিকায় চলে যায় সে। অসুস্থ হওয়ার আগে সে স্বপ্নের জীবনযাপন করছিল। ২০২০ সালে বড়দিনের ছুটিতে বাড়িতে এসে হঠাৎই ব্রেন হ্যামারেজে মৃত্যু হয় তাঁর।

আগেই অঙ্গদানের ফর্মে সই করেছিল অ্যালেক্স।



অ্যালেকেসের মৃত্যুর পর তাঁর মা চেয়েছিলেন ছেলে যেন তাঁদের মধ্যেই থাকেন। তিনি এমন ব্যক্তির খোঁজ করতে শুরু করেন, যাঁর নির্দিষ্ট কোনও অঙ্গের প্রয়োজন। ১১ বছর বয়সি এক ছাত্রীকে তিনি তাঁর ছেলের অঙ্গ দান করেন। এক খুদেকে তিনি তাঁর ছেলের লিভারও দেন।

ছোট ছোট ছেলেমেয়ের মধ্যে নিজের ছেলের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়ে বেজায় খুশি অ্যালেক্সের মা। যাঁদের অঙ্গ দান করা হয়েছে, তাঁদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন অ্যালেক্সের মা।

আপনার মতামত দিন:


মানুষের জন্য এর জনপ্রিয়