RAHANUMA NURAIN AONTY

Published:
2026-01-13 19:01:37 BdST

প্রখ্যাত শিশু বিশেষজ্ঞ পিতার আবদারে যে অবাক কান্ডটি করলেন: তারপর...



শেখর দুবে
___________________________

১৯৮৮ সাল, কলকাতা শহরে চুটিয়ে ডাক্তারি প্র্যাক্টিস করছে একটি ছেলে৷ নীলরতন সরকার থেকে ডাক্তারি পাশ ৷ তারপর চেস্ট মেডিসিনের পড়া৷ সেটার পর শিশু চিকিৎসায় মাস্টার্স৷ বেশ কিছুদিন হল প্রাইভেট প্র্যাক্টিস শুরু করেছেন। আস্তে আস্তে ডাক্তার হিসেবে নাম হচ্ছে৷ এমন একটা সময় যখন প্রাইভেট প্র্যাক্টিসে মাস গেল লাখ টাকার বেশি আয় শুরু করেছেন। নানা নার্সিংহোম, হাসপাতালে যে সব শিশুর চিকিৎসা সম্ভব নয় বলে প্রায় ফিরিয়ে দেওয়া হয় তাদেরও চিকিৎসা করেন৷ অর্থবান বাড়ি হলে বলে রাখেন যদি রোগ ধরতে না পারি চিকিৎসা দিতে না পারি এক টাকাও নেবো না, যদি রোগ নির্নয় করে চিকিৎসা দিতে পারি, সুস্থ করতে পারি তাহলে আমার ফিজ আমি ঠিক করব। যে টাকা আয় করেন তার বড় অংশ দিয়ে বিদেশী চিকিৎসা জার্নাল ও নানা ম্যাগাজিন কেনেন। কিছু বিদেশী ওষুধ যন্ত্রপাতি কেনেন৷ কলকাতায় আস্তে আস্তে নাম ছড়াচ্ছে ডাক্তারবাবুর। ইয়াং ছেলে অল্প বয়সে সাফল্য, সেই আয়ে কলকাতার বাড়িতে নতুন টিভি, শোফা, ফোন আসছে বাড়িতে। বাড়ির লোকও খুশি৷ বেশ কিছুদিন হল ছেলেটির বাবা অবসর নিয়েছেন চাকরি থেকে। সময় মতো বাড়ির দায়িত্ব নিতে পেরে ছেলে খুশি৷ আত্মবিশ্বাসী সাফল্য নিয়ে৷ একদিন সন্ধ্যের পর বাড়ি ফিরে দেখল বাবা বসে রয়েছেন ছেলেরই নতুন কেনা শোফায়। সেদিকে তাকিয়ে একটু খুশিই হল ছেলেটি। হঠাৎ বাবা ডাকলেন,
- শোনো,
- হ্যাঁ
- পুরনো কিছু স্মৃতি আমার মনে পড়ে, তুমি বলতে লোককে, আমি ডাক্তারি পড়ছি গ্রামে যাওয়ার জন্য। গ্রামের লোকের চিকিৎসা করার জন্য। কলেজে বিপ্লবী স্লোগান দিতে। মাস্টার দা সূর্য সেনের কথা বলতে। এখন দেখছি ভালোই অ্যাডজাস্ট করে গিয়েছো টাকা পয়সার সঙ্গে।
চুপচাপ বাবার কথা শুনল ছেলেটি৷ মনে পড়তে লাগল বাবা যা বলছেন তা তিনিই বলতেন কলেজে বাম রাজনীতি করার সময়৷ চুপচাপ তিনচারদিন বিষয়টা নিয়ে ভাবলেন৷ তারপর কয়েকটা দিনের চেষ্টা, পরীক্ষা দিয়ে সরকারি চাকরি জয়েন করলেন। জয়েনিং এ জিজ্ঞেস করা হল
- কোথায় জয়েন করতে চান? কোনও প্রেফারেন্স আছে?
- স্বাস্থ্যে রাজ্যের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জেলাগুলো কী কী?
- পুরুলিয়া, কোচবিহার, ঝাড়গ্রাম
- পুরুলিয়া জেলা সদর?
- হ্যাঁ ওটা আছে তবে রঘুনাথপুর অনেকটাই পিছিয়ে পড়া
- আচ্ছা আমার পছন্দের তালিকায় রঘুনাথপুর রাখুন৷ ওখানে আমাকে পাঠালে আমি যেতে পারি৷
প্রাইভেট প্র্যাক্টিস বন্ধ হল। সরকারি চিকিৎসক হিসেবে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে যোগ দিল ছেলেটি৷ বেতন? ৬০০০ টাকা প্রতিমাসে৷ সঙ্গে কিছু DA, TA। আত্মবিশ্বাসী শিশু বিশেষজ্ঞটি এতদিন কলকাতায় পাকা ছাদের তলায় কিছুটা হলেও চিকিৎসা পরিকাঠামোয় চিকিৎসা করেছেন৷ রঘুনাথপুর হাসপাতালে এসে বুঝতে পারলেন আসল লড়াইটা কোথায়৷
গোটা পুরুলিয়াতেই তখন শিশু মৃত্যুর হার তুঙ্গে।
কিছু শিশু মারা যায় জন্মের সময়ই৷ কিছু শিশু অপুষ্টি জনিত রোগে৷ আর বড় অংশ মারা যায় ভয়ঙ্কর একটি কারণে!!
'কালাচ', বিষাক্ত কালাচের কামড়ে৷ গ্রামের হতদরিদ্র মানুষ মাটিতে বিছানা পেতে শোয়৷ বাড়িতে ঢুকে পড়া কালাচ সাপের অভ্যাস। ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুকে কামড়ায়। আকারে ছোটো এই সাপের কামড়ের দাগ দেখতে পাওয়া দুষ্কর, বিষের সিম্পটম পুরোপুরি ছড়ানোর আগে। পেট ব্যাথা, বমি, ঝিমুনি এসব সাধারণ উপসর্গ হয়। তারপর ওঝা, ঝাড়ফুক এসব পেরিয়ে যতক্ষণে সব বুঝে বা না বুঝে হাসপাতাল আনা হয় ততক্ষণ সব হাতের বাইরে।
একদিন দুপুরে রঘুনাথপুর হাসপাতালে রোগী দেখছে ছেলেটি৷ হঠাৎ দেড় বছর ও পাঁচ বছরের দুটি মেয়ে শিশুকে নিয়ে এক বাবা এলেন উদভ্রান্তের মতো৷ কিছুক্ষণের চেষ্টা, কোনও ফল হল না। দুটি মেয়েই মারা গেল। বাবা বলে সাপে কামড়েছে, কিন্তু সন্দেহ হওয়াতে মেয়েদুটির বডি পোস্টমর্টেমে পাঠাল ছেলেটি৷ পুরুলিয়া সদর হাসপাতালে৷ খুব রাগারাগি করে অনিচ্ছা সত্ত্বেও মেয়েদের দেহ নিয়ে পুরুলিয়া হাসপাতাল গেল হতভাগ্য বাবা। পরেরদিন ছেলেটি নিজে গেল খবর নিতে কী বেরলো পোস্টমর্টেমে। গিয়ে জানতে পারল মেয়েদুটির বাবা ঠিক। সাপের বিষ।
বাইরে এসে দেখা মেয়ে দুটির বাবার সঙ্গে শোকস্তব্ধ লোকটি রাগে তাকিয়ে ছিল ডক্টরের দিকে৷ ডক্টর বললেন,
- আপনি কি মনে করছেন আমি চেষ্টা করিনি? আপনার মেয়েরা আমার জন্য মারা গেল?
- ডাক্তার, তুই কিছু জানিস না। এই যে আমার মেয়েদের ইখানে পাঠালি, এখন উয়াদের ঘর লিব কিভাবে? ইখান থেকে আমার গ্রাম ডেডবডি লিতে গাড়ি ৭০০ টাকা লিবে, কে দিবে? পাবো কই? ৭০০ টাকা জমি বাঁধলেও দিবে নাই! উর মা কীভাবে দেখবে বিটিদের, শেষবার?
কিছুটা অবাক কিচ্ছুটা স্তব্ধ হয়ে গেল চিকিৎসক ছেলেটি! এ কোন দেশ! এ কোন বাংলা! এই বাংলাকে তো সে চেনে না! সদ্য দুই মেয়েকে হারানো শোকে পাগল বাবাকে ভাবতে হচ্ছে তার মেয়েদের দেহ কিভাবে বাড়ি নিয়ে ফিরবেন!!!!
নিজের স্যালারির টাকার যা বেঁচে ছিল সেটার বড় অংশ বাবাটির হাতে দিয়ে সেদিনই কলকাতার ট্রেন ধরল ছেলেটি।
যদি সে থাকতে থাকতে থাকতেও এভাবে পর পর শিশু মারা যায় তাহলে তার চিকিৎসা পড়াশোনা সব বৃথা। ছেলেটি ভাবল ডাক্তারি ছেড়ে দেবে। সে কিছুই করতে পারছে না চোখের সামনে বাচ্চা মারা যাচ্ছে৷ তবে তার আগে একটা চেষ্টা...
কলকাতা এসেই প্রথমে গেল আলিপুর চিড়িয়াখানা৷ কলকাতায় বড় হওয়া ছেলেটি সাপ চেনে না৷ শুধু বইতে পড়ছে। হাতে কলমে নলেজ নেই৷ তাই সাপ চিনতে হবে সবার আগে৷ শুরু হল এক অসম লড়াই। রোজ আলিপুর ও আশেপাশে যেখানে সাপ পাওয়া যায় সেখানে যাওয়া সাপ চেনা, তার পর কলেজস্ট্রিট থেকে বইপত্র কিনে সাপের বিষ নিয়ে পড়াশোনা ৷ সে বিষ শরীরে কীভাবে কাজ করে। কীভাবে ক্ষতি করে। এ নিয়ে পড়াশোনা চলল।
তারপর আগের জমানো টাকা থেকে কয়েকটা যন্ত্রপাতি কিনে পুরুলিয়াতে ফেরা। অনেকটা রাতে রঘুনাথপুর হাসপাতাল কোয়াটারে ফিরছেন৷ হাসপাতালের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় কান্নাকাটির আওয়াজ শুনলেন। হাসপাতালে ঢুকে দেখলেন একটা বাচ্চা বেডে শোয়ানো। ওপর থেকে বোঝা যাচ্ছে না যে শ্বাস চলছে৷ সহকর্মী চিকিৎসক কিছুটা দূরে বসে কিছু একটা লিখছেন৷ আর তার গেটের বাইরে বসে আছাড় দিয়ে কাঁদছে এক মা। পাথরের মতো বসে আছে এক বাবা।
সহকর্মী ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করলেন
- কী হয়েছে
- কালাচ কেস স্যার, যা হওয়ার, যখন এনেছে কিছু নেই। ডেথ মেনশান করে দিচ্ছি।
আরও একটা শিশু মৃত্যু দেখে ভেঙে পড়ল ডাক্তার ছেলেটি৷ তারপর কী মনে হওয়াতে এগিয়ে গিয়ে শিশুটিকে কিছুক্ষণ পরীক্ষা করে দেখলেন৷ তারপর নির্দেশ দিলেন এখনই ডেথ লিখো না৷ সবাই অবাক। এ কী পাগলামি! নার্সদের ডাকলেন৷ ব্যাগ থেকে কীসব বার করে মেয়েটির মুখে লাগিয়ে রেসকিউ ব্রিদিং দিতে আরম্ভ করলেন৷ কিছুক্ষণ পর মীরাকেল হল। মরা মেয়ে যার ডেথ লিখে দেওয়া হচ্ছিল সেই মেয়েটি শ্বাস নেওয়া শুরু করল। এক সপ্তাহের মাথায় সুস্থ হয়ে নিজের পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরেছিল মেয়েটি৷
গোটা রঘুনাথপুরে আগুনের মতো ছড়িয়ে গেল মরা মানুষ বাঁচাতে পারে এমন একটা ডাক্তার এসেছে পুরুলিয়াতে।
এই ঘটনার কয়েকদিন পর, হাসপাতালের কোয়াটারের দরজা খুলে বেরোতে যাবেন। দরজা খুলেই অবাক হল ডাক্তার ছেলেটি, অন্তত ২০-৩০ জন একটা করে ঝাঁপি আর বাঁশি হাতে দরজার সামনে বসে। কারা এরা?
স্থানীয় প্রচুর ওঝা। দাবি একটাই সাপে কাটার যে মন্ত্রটা আপনি জানেন ওটা শেখাতে হবে গুরু। নাহলে ব্যবসা লাটে উঠবে৷ ডাক্তার তো অবাক! কী মন্ত্র শেখাবেন৷
বললেন ঠিক আছে সবাইকে এক সঙ্গে শেখাবো। কীভাবে সাপে কাটা মরা মানুষকে বাঁচায়! হাসপাতালের কাছের একটা বড় রুমে নিয়ে গিয়ে তাদের বোঝালে কীভাবে মাউথ টু মাউথ অক্সিজেন দিতে হয়৷ সাপে কামড়ালে কী কী করতে হবে। কী দেখে বুঝতে হবে বিষাক্ত সাপ কী দেখে বুঝতে হবে চাপ নেই৷ কোন সিম্পটম দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতাল নিয়ে আসতে হবে৷ সবাই শুনল, হয়ত বুঝল কিছু জন৷ এই ডাক্তার ছেলেটি আর তার সহকর্মীদের প্রচেষ্টায় কয়েক মাসের মধ্যে পুরুলিয়ায় শিশুমৃত্যুর সংখ্যা অর্ধেক হয়ে গেল।
জানতে ইচ্ছে করছে এই ডাক্তারটি কে? দ্য মিথ, দ্য ম্যান, দ্য ওয়ান অ্যান্ড ওলনি ডক্টর অরুণ কুমার সিং।
নাহ ডক্টর অরুণ সিং এরপরও থামেননি। পুরুলিয়া বা প্রত্যন্ত জায়গাতে NICU বা বাচ্চাদের ICU-র পরিকাঠামো তৈরি করা সম্ভব ছিল না৷ কিন্তু ক্রিটিকাল সদ্যজাতদের যে বাঁচাতে হবে৷ তাহলে উপায়? সব শক্তিশেলের একটা না একটা বিশল্যকরণী থাকে। ২০০২-২০০৩ সালে পুরুলিয়াতে বসেই অল্প নার্স, অল্প যন্ত্রপাতি কম ডাক্তার নিয়ে, হাতের কাছে যা পেলেন সেটা দিয়ে তৈরি করলেন একটা মডেল চিকিৎসা পদ্ধতি, সদ্যজাত শিশুদের জন্য SNCU, special newborn care unit. শুধু পশ্চিমবঙ্গ বলে নয় ভারতের যেখানে NICU তৈরি হয়নি SNCU ই একমাত্র ভরসা সদ্যজাত শিশুদের জন্য৷
গোটা ভারতে এই SNCU মডেল কী নামে পরিচিত জানেন? পুরুলিয়া মডেল।
পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে মৃত শিশুকে বাঁচানোর গল্পটা ডক্টরবন্ধুরা আমাকে বলেছিল। একদিন অরুণ স্যারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে সত্যিই আপনি মৃত শিশু বাঁচিয়ে ছিলেন? কেস টা কি? প্রচন্ড রেগে গিয়ে বলেন, ইয়ার্কি হচ্ছে? তুমি না পড়ালেখা করা ছেলে? সম্ভব?
তাহলে স্যার?
- কালাচ গোখরো এদের বিষ নিউরোটক্সিন৷ এদের কাজই হল অনেক সময় ফুসফুস ও হার্টকে অ্যাটাক করা। তখন উপর থেকে দেখলে মনে হবে শ্বাস নিচ্ছে না পালস নেই। এ সময়টায় বাইরে থেকে রেসকিউ ব্রিদিং দিলে অনেক সময় শরীর নিজে নিজেই ফাইট শুরু করে। ওই সময় অ্যান্টি ভেনামের থেকেও জরুরি ওই রেসকিউ ব্রিদিং৷ ঠিক একারণেই দেখবে বাংলায় একটা সময় পর্যন্ত রীতি ছিল সাপ কামড়ে মৃত রোগীকে পোড়ানো হত না৷ ভেলায় করে নদীতে ভাসানো হত। আমরা অনেক কিছুই ভুলে গিয়েছি বা তার পিছনে থাকা সায়েন্সটা ধরা পড়েনি আমাদের চোখে।
নাহ শুধু পুরুলিয়াতে নয়৷ আপনার আমার গর্বের SSKM ( বা পিজি) সেখানেও সদ্যজাতদের চিকিৎসার জন্য প্রথম NICU তৈরি হয় ডক্টর অরুণ সিংয়ের সময়৷ তখন তিনি SSKM এর সদ্যজাত শিশু চিকিৎসা বা নিওন্যাটাল বেবি ইউনিটের প্রধান।
এরপর কোভিডের সময় ভারত সরকারের শিশু উপদেষ্টা ছিলেন ডক্টর অরুণ সিং৷ কাজ করেছেন একাধিক AIIMS এ, গতবছর ছিলেন যোদপুর AIIMS এ। এখন স্যার কলকাতায়, কিন্তু সেই যে বাবা কথা শুনিয়েছিল, সেই দিন আর আজ শত অনুরোধ, শতবড় চেক অ্যামাউন্ট, প্রাইভেট প্র্যাক্টিস করেন না। না কোনও নার্সিংহোমে বড় অ্যামাউন্টে সই করে যুক্ত হয়েছেন...
এরকম একটা মানুষকে আমরা যথাযথ সম্মান দিতে, জায়গা দিতে পারছি কই!!! উল্টে চক্রান্ত করে তাঁকে তাড়ানো হল SSKM থেকে৷
যখনই কাজের চাপে ভেঙে পড়ি। ভাবি আর হবে না৷ এটা নেই, ওটা নেই, এ দিয়ে কাজ হয়?
এটা পারছি না ওটা পারছি না৷ তখনই একবার অরুণ স্যারের সঙ্গে কথা বলি। ওঁর কথা শুনি। তারপর মনে মনে আওড়ে নিই
দেড় লাখ আয় ছেড়ে ৬ হাজার টাকার সরকারি চাকরি
সাপে কামড়ানো রোগীকে বাঁচাতে সাপ নিয়ে পাগলামি লেভেলের পড়াশোনা
পুরুলিয়াতে NICU ছিল না, অভিযোগ না করে নিজের প্রচেষ্টায় সহকর্মীদের সহযোগিতায় SNCU মডেল বানিয়ে ফেলা...
এটাই তো জীবন, এটাই তো মানুষ...
এই পশ্চিমবাংলার মাটি অদ্ভুত জায়গা, ভারী অদ্ভুত, রত্নগর্ভা। ডক্টর অরুণ সিংয়রা আজও আমাদের শুধু ডাক্তারি নয় জীবনবোধ শিখিয়ে যাচ্ছেন...
কলমে ঃ শেখর দুবে।

আপনার মতামত দিন:


মানুষের জন্য এর জনপ্রিয়