Ameen Qudir

Published:
2019-06-16 10:11:30 BdST

চিকিৎসকদের সুরক্ষায় কড়া আইন করছে ভারত : হাসপাতালে বিশেষ নিরাপত্তাবলয়


 

 

সংবাদ সংস্থা / ডেস্ক:

কলকাতায় হাসপাতালে ২০০ গুন্ডার জঙ্গীপনায় এবার রীতিমতো সক্রিয় নয়াদিল্লী কেন্দ্র। শুধু এরাজ্য নয়, গোটা ভারতবর্ষ ও উপমহাদেশের রাষ্ট্রগুলোয় চিকিৎসক নিগ্রহ একটা গুরুতর সমস্যা। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই এবার চিকিৎসক সুরক্ষায় কড়া আইন আনার উদ্যোগ নিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. হর্ষবর্ধন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও অবহিত। তিনিও ডাক্তার চিকিৎসাসেবীদের সুরক্ষায় ব্রতী। প্রতিটি চিকিৎসালয়ে করা হবে বিশেষ নিরাপত্তাবলয়। বহিরাগত নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হবে। হাসপাতাল গুলো চিকিৎসা সম্পাদনে যেন কোনরকম গুন্ডাঝুঁকিতে না থকে, তার ব্যবস্থা নেয়া হবে। জানায় নয়া দিল্লীর সূত্র। শুক্রবার ডা. হর্ষবর্ধন এক টুইটে জানিয়ে ছিলেন, চিকিৎসক পেটালে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত। সেই সঙ্গে কমপক্ষে ১২ বছরের জেল হওয়া উচিত অভিযুক্তদের। শনিবার তিনি নিজে থেকে উদ্যোগ নিয়ে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের চিঠি লিখে, কড়া আইন প্রণয়ন করতে অনুরোধ করেছেন।

শুক্রবার এক টুইটে ডঃ হর্ষবর্ধন বলেন, “দেশজুড়ে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে চিকিৎসকদের উপর ঘৃণ্য আক্রমণের জেরে আজকের এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সরকারকে এমন আইন আনতে হবে যাতে চিকিৎসকদের উপর হওয়া সমস্তরকম আক্রমণ জামিন অযোগ্য বলে বিবেচিত হয়। এবং অপরাধীরা ন্যূনতম ১২ বছরের শাস্তি পায়। এবং সেই সঙ্গে ড্র্যাকোনিয়ান ক্লিনিকাল এস্টাবলিশমেন্ট অ্যাক্ট (Draconian Clinical Establishment Act), যে আইনে চিকিৎসকদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হয়, সেই আইনটি প্রত্যাহার করতে হবে।”

এরপর শনিবার নিজে থেকেই সক্রিয়তা দেখান হর্ষবর্ধন। সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের এ বিষয়ে কড়া আইন প্রণয়নের আবেদন জানিয়ে চিঠি লেখেন তিনি। চিঠির সঙ্গে নতুন আইনের খসড়ার একটি করে প্রতিলিপিও পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে তিনি অঙ্গরাজ্য এবং যে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে পৃথক সরকার আছে, সেই সব রাজ্যের সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বাংলা এবং গোটা দেশজুড়ে যে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি চলছে, তা কার্যত ধর্মঘটের রূপ নিয়েছে। যার ফলে ভূগতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। যত দ্রুত সম্ভব, এ বিষয়ে কড়া আইন প্রণয়ন করা উচিত। উল্লেখ্য, এনআরএস কাণ্ডের পর শুক্রবারই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন দিল্লি এইএমস এবং আইএমএ-এর প্রতিনিধিরা।

এক টুইটে ডঃ হর্ষবর্ধন বলেন, দেশজুড়ে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে চিকিৎসকদের উপর ঘৃণ্য আক্রমণের জেরে আজকের এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
সরকারকে এমন একটা আইন আনতে হবে যাতে চিকিৎসকদের উপর হওয়া সমস্তরকম আক্রমণ জামিন অযোগ্য বলে বিবেচিত হয়।
শনিবার নিজে থেকেই সক্রিয়তা দেখান হর্ষবর্ধন।

আপনার মতামত দিন:


মানুষের জন্য এর জনপ্রিয়