Ameen Qudir

Published:
2019-03-15 11:33:09 BdST

শুক্রবারের বিশেষ কলামস্বাস্থ্য শিক্ষা ও সেবায় একটি কোম্পানির দান দেড় লাখ কোটি টাকা




ডা. আবদুল্লাহ সাঈদ
________________________

শুধু মাত্র স্বাস্থ্য শিক্ষা ও সেবায় একটি কোম্পানি এ পর্যন্ত দেড় লাখ কোটি টাকার বেশী দান করেছে! ভাবা যায়। তাও আবার এই উপমহাদেশেই। পুরা দান সম্পূর্ণ অবানিজ্যিক। সরাসরি কল্যাণী দান। আর এই মহাদাতা মহসিনের নাম: মোহাম্মদ আজিম হাশিম প্রেমজী পদ্মভূষণ ।
ভারতবর্ষের তুলনায় বাংলাদেশ অর্থনীতি ক্ষুদ্র। বাংলাদেশের বানিজ্য শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোও তুলনীয় ছোট। নানা বিষয়ে আমরা হ্যান করেঙ্গা ত্যান করেঙ্গা বললেও কোন কোম্পানিকে আমরা
এর সিকি ভাগও দান করতে শুনি নি।
হ্যাঁ, এখানকার শিল্পপতিরা হাসপাতাল টাসপাতাল করেন বটে; তাও আরও বড় দাও মারার জন্য। মাছের তেলে মাছ ভাজা। শিল্পপতিরা হাসপাতাল করছেন , কিন্তু সেগুলো ফাইভস্টার হাসপাতাল। মুখে তারা বলেন লোকসেবা; বাস্তবে টাকা আয়ের আরও বড় ধান্দা। স্বাস্থ্য সেবা খাতকে ব্যবহার করে তারা বিশাল ব্যবসা করছে। এখাতে বিড়ি কোম্পানি , জমি কম্পানি ,কেবলস কোম্পানি, রড় কোম্পানি সবাই সামিল। কিন্তু এক টাকাও তারা গরিবদের দেন না।
কিন্তু উপরে একটি কোম্পানির দেড় লাখ কোটি টাকার দানের কথা বললাম, তা কিন্তু এরকম ভন্ড বিনিয়োগ নয়। সরাসরি দরিদ্র মানুষকে সেবা। তাদের নামে ব্যবসাবাজি নয়।
বাংলাদেশে এরকম জনসেবার কোন উদ্যোগ আদৌ হবে কি!

স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষা ও বিভিন্ন ধরনের সেবামূলক কাজের জন্য তাঁর তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ‘উইপ্রো’য় তাঁর নিজের শেয়ারের একটি বড় অংশ আবারও দিচ্ছেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আজিম হাশিম প্রেমজি। যার পরিমাণ ৭৫০ কোটি ডলার বা ৫২ হাজার ১৭৭ কোটি সাড়ে ৮৭ লক্ষ টাকা। এর ফলে শিক্ষা ও সেবামূলক কাজে ফাউন্ডেশনের অনুদানের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে হল ২ হাজার ১০০ কোটি ডলার। ভারতীয় মুদ্রা-মূল্যে যা ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ১০৮ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা। বাংলাদেশ টাকা যার পরিমান দেড় লাখ কোটি টাকার বেশী।


বুধবার ‘আজিম হাশিম প্রেমজি ফাউন্ডেশন’-এর তরফে এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে। বিল গেটস, মার্ক জাকারবার্গের মতো তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার কর্ণধাররা ইতিমধ্যেই শিক্ষা বিস্তার ও গবেষণার জন্য বিপুল অনুদান ঘোষণা করেছেন। দিয়েও চলেছেন। সেই তালিকায় নবতম স‌ংযোজনের নাম আজিম প্রেমজি।
দেশে শিক্ষার বিস্তারে অনেক দিন ধরেই কাজ করে চলেছে আজিম প্রেমজি ফাউন্ডেশন। এ ব্যাপারে বহু দিন ধরেই ফাউন্ডেশন অর্থ সাহায্য করে চলেছে অন্তত ১৫০টি অলাভজনক সংস্থাকে। যারা শিক্ষার জন্য সমাজের দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মানুষকে কয়েক বছর ধরে আর্থিক অনুদান দিয়ে চলেছে।

আজিম ও স্ত্রী ইয়াসমিন হলেন ইসমাইলী সম্প্রদায়ের শিয়া পারস্য মুসলিম। জিন্নাহর সঙ্গে তার পিতা মোহাম্মেদ হাশিমের সখ্য ছিল। ৪৭ সালে জিন্নাহ তার পিতা রাইস মার্চেন্ট অব ইন্ডিয়া মোহাম্মেদ হাশিমকে পাকিস্তান ভুক্ত হওয়ার অনুরোধ করলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন, তিনি মাতৃভূমি ভারতবর্ষ ছেড়ে পোকায় কাটা পাকিস্তানে যাবেন না। ইতিহাসে "কীটদংশিত পাকিস্তান" কথাটির সেখানে উৎপত্তি বলে কোন কোন ইতিহাসবিদের বক্তব্য।

 

কে এই আজিম হাশিম প্রেম জী

আজিম ও স্ত্রী ইয়াসমিন

_____________________

মহম্মদ আজিম হাশিম প্রেমজী জন্ম জুলাই ১৯৪৫ ।
Muhammed Hashim Premji is an Indian business tycoon, investor, and philanthropist, who is the chairman of Wipro Limited. He is informally known as the Czar of the Indian IT Industry. He was responsible for guiding Wipro through four decades of diversification and growth to finally emerge as one of the global leaders in the software industry. In 2010, he was voted among the 20 most powerful men in the world by Asiaweek. He has twice been listed among the 100 most influential people by TIME Magazine, once in 2004 and more recently in 2011.[9] Premji owns 73% percent of Wipro and also owns a private equity fund, Premji Invest, which manages his $2 billion worth of personal portfolio.

He is currently the second richest person in India with an estimated net worth of US$15.6 billion as of October 2018. In 2013, he agreed to give away at least half of his wealth by signing The Giving Pledge. Premji started with a $2.2 billion donation to the Azim Premji Foundation, focused on education in India.

In 1945, Muhammed Hashim Premji incorporated Western Indian Vegetable Products Ltd, based at Amalner, a small town in the Jalgaon district of Maharashtra. It used to manufacture cooking oil under the brand name Sunflower Vanaspati, and a laundry soap called 787, a byproduct of oil manufacture, In 1966, on the news of his father's death, the then 21-year-old Azim Premji returned home from Stanford University, where he was studying engineering, to take charge of Wipro. The company, which was called Western Indian Vegetable Products at the time, dealt in hydrogenated oil manufacturing but Azim Premji later diversified the company to bakery fats, ethnic ingredient based toiletries, hair care soaps, baby toiletries, lighting products, and hydraulic cylinders. In the 1980s, the young entrepreneur, recognising the importance of the emerging IT field, took advantage of the vacuum left behind by the expulsion of IBM from India, changed the company name to Wipro and entered the high-technology sector by manufacturing minicomputers under technological collaboration with an American company Sentinel ] Computer Corporation. Thereafter Premji made a focused shift from soaps to software.

 

Personal life
Premji was born in Bombay, India in a Nizari Ismaili Shia Muslim. family with origins from Kutch in Gujarat. His father was a noted businessman and was known as Rice King of Burma. After partition, when Jinnah invited his father Muhammed Hashem Premji to come to Pakistan, he turned down the request and chose to remain in India.

Premji has a Bachelor of Science in Electrical Engineering degree (equivalent to a Bachelor of Engineering degree) from Stanford University, USA. He is married to Yasmeen. The couple have two children, Rishad and Tariq. Rishad is currently the Chief Strategy Officer of IT Business, Wipro.

Recognition
Premji has been recognised by Business Week as one of the Greatest Entrepreneurs for being responsible for Wipro emerging as one of the world's fastest growing companies.

In 2000, he was conferred an honorary doctorate by the Manipal Academy of Higher Education. In 2006, Azim Premji was awarded Lakshya Business Visionary by National Institute of Industrial Engineering, Mumbai. In 2009, he was awarded an honorary doctorate from Wesleyan University in Middletown, Connecticut for his outstanding philanthropic work. In 2015, Mysore University conferred an honorary doctorate on him.

In 2005, the Government of India honoured him with the title of Padma Bhushan for his outstanding work in trade and commerce.

In 2011, he has been awarded Padma Vibhushan, the second highest civilian award by the Government of India.

আপনার মতামত দিন:


মানুষের জন্য এর জনপ্রিয়