RAHANUMA NURAIN AONTY
Published:2026-01-15 19:58:42 BdST
নিপা ভাইরাসে কেন মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি?
পূর্ব মেদিনীপুরের এক যুবক (পেশায় নার্স) এবং বর্ধমান হাসপাতালের আরও দুই স্বাস্থ্যকর্মীর শরীরেও নিপা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে
পায়েল সামন্ত/ DW , কলকাতা
____________________________________
করোনার স্মৃতি এখনো জনমানসে টাটকা। এরই মধ্যে আর এক ভাইরাসের আবির্ভাব।
নিপার প্রকোপ
পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুইজন নার্স নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং বর্তমানে তারা ভেন্টিলেশনে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছেন এবং সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছেন।
পূর্ব মেদিনীপুরের এক যুবক (পেশায় নার্স) এবং বর্ধমান হাসপাতালের আরও দুই স্বাস্থ্যকর্মীর শরীরেও নিপা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা কয়েকজনকে কলকাতার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে চিকিৎসক এবং নার্সও রয়েছেন।
চিকিৎসকদের মতে, কোভিড-১৯-এর তুলনায় নিপা ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা কম হলেও, এর প্রাণঘাতী রূপ অনেক বেশি ভয়ংকর।
নিপা ভাইরাস কী
ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক সিদ্ধার্থ জোয়ারদার ডিডাব্লিউকে বলেন, "এই ভাইরাস প্রাকৃতিকভাবেই 'টেরোপাস' প্রজাতির ফলাহারী বাদুড়ের দেহে অবস্থান করে। বাদুড়ের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এমন এক স্তন্যপায়ী প্রাণীর মতো যা ভাইরাসের সঙ্গে এক প্রকার 'শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান' বজায় রাখে। বাদুড় নিজে সংক্রামিত হলেও সহজে মারা যায় না, তবে খাদ্যের অভাব বা জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট চাপের কারণে ভাইরাসটি বাদুড়ের শরীর থেকে পরিবেশে বেরিয়ে আসে, যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় ‘স্পিলওভার’ বলা হয়।"
নিপার সংক্রমণ কীভাবে
অধ্যাপক জোয়ারদার জানান, বাদুড় থেকে এই ভাইরাস সরাসরি খেজুরের রস বা ফলের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এছাড়া আক্রান্ত শূকর, গরু বা ছাগলের সংস্পর্শ থেকেও মানুষ সংক্রামিত হতে পারে। ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় দেখা গেছে হ্যামস্টার বা গিনিপিগও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। এটি মূলত আক্রান্ত ব্যক্তির লালা, প্রস্রাব বা ব্যবহৃত কাপড়ের মাধ্যমে ক্লোজ কন্ট্যাক্ট বা নিবিড় সংস্পর্শে থাকলে ছড়ায়। তবে এটি করোনার মতো ড্রপলেট ইনফেকশন নয় যে বাতাসে অতি দ্রুত ছড়াবে।
অধ্যাপক জোয়ারদারের মতে, "মানুষের শরীরে নিপা ভাইরাসের ইনকিউবেশন পিরিয়ড (লক্ষণ প্রকাশের সময়কাল) সাধারণত ৪ থেকে ১৪ বা ১৮ দিন পর্যন্ত হতে পারে, তবে গড়ে এটি ৯.৫ দিন বলে বিবেচিত হয়।" সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের অন্তত ২১ দিন বা তিন সপ্তাহ হোম কোয়ারেনটাইনে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি, কারণ ভাইরাসটি প্রায় ৪৫ দিন পর্যন্ত ছড়ানোর ক্ষমতা রাখতে পারে।
মৃত্যুহারে আকাশপাতাল তফাৎ
অধ্যাপক জোয়ারদার নিপা ভাইরাসের একটি উদ্বেগজনক দিক তুলে ধরেছেন। যেখানে করোনার মারণক্ষমতা ৫ শতাংশের নিচে, সেখানে নিপা ভাইরাসের ক্ষেত্রে এটি ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। তবে একটি ইতিবাচক দিক হলো, এর ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা করোনার তুলনায় অনেক কম।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অনির্বাণ দোলুই ডিডাব্লিউকে বলেন, "নিপা ভাইরাসের প্রাথমিক লক্ষণ সাধারণ জ্বর-সর্দি বা ভাইরাল ফিভারের মতোই। তবে এর নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা বা ভ্যাকসিন না থাকায় বয়স্ক, অসুস্থ বা কম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এটি দ্রুত মারাত্মক রূপ নিতে পারে। সংক্রমণটি মস্তিষ্ক বা হৃৎপিণ্ডকে আক্রান্ত করলে তা প্রাণঘাতী হয়ে দাঁড়ায়। তাই লক্ষণ দেখা মাত্রই দ্রুত রোগ নির্ণয় করা জরুরি, যাতে সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।"
পশ্চিমবঙ্গের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে ট্রপিক্যাল মেডিসিন ও সংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞ এবং সিনিয়র ভাইরোলজিস্ট ডাক্তার অমিতাভ নন্দী ডিডাব্লিউকে বলেন, "২০০১ সালে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে বড় ধরনের আউটব্রেক হয়েছিল। সেখানে ৭১ জন আক্রান্তের মধ্যে প্রায় ৫০ জনই মারা যান, যাদের মধ্যে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরাও ছিলেন। এরপর ২০০৭ সালে নদীয়া জেলায় ৭ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং ৭ জনই মারা যান। সেখানে মৃত্যুহার ছিল ১০০%। এছাড়া বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতেও নিয়মিত বিরতিতে এই ভাইরাসের প্রকোপ দেখা যায়।"
তিনি বলেন, "নিপা ভাইরাসের মারণ ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি। শিলিগুড়িতে মৃত্যুহার ছিল প্রায় ৭৫% এবং মালয়েশিয়ায় ছিল ৫৫%। গড়ে এই ভাইরাসে মৃত্যুহার ৪০% থেকে ১০০% পর্যন্ত হতে পারে। মানুষের মধ্যে আতঙ্কের প্রধান কারণ এর ভয়াবহ প্রাণঘাতী ক্ষমতা। তবে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা মাত্র ৬০০-এর মতো। এটি মহামারীর চেয়েও এর উচ্চ মৃত্যুহারের জন্য বেশি আতঙ্কজনক।"
ভ্যারিয়েন্ট বা প্রকারভেদ
চিকিৎসক নন্দী এই ভাইরাসের দুটি প্রধান স্ট্রেনের কথা উল্লেখ করেছেন। প্রথমত মালয়েশিয়ান স্ট্রেন, যেটি মূলত মস্তিষ্ককেন্দ্রিক বা এনসেফালাইটিক টাইপ।
দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশ ও ভারত (শিলিগুড়ি) স্ট্রেন, যেটি মূলত ফুসফুসকে আক্রমণ করে, যাকে নিউমোনাইটিক বলা যেতে পারে। এখানে শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেশি হয়।
তিনি জানান, যখন রোগীর হাঁচি-কাশি থাকে, তখন লালার মাধ্যমে সুস্থ মানুষ (বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর্মী বা নার্স) আক্রান্ত হতে পারেন। তবে মালয়েশিয়ান স্ট্রেনে ভাইরাস মস্তিষ্কে চলে যাওয়ার পর লালায় ভাইরাসের সংখ্যা কমে যায়, ফলে সংক্রমণও কমে। কিন্তু ভারতীয় বা বাংলাদেশি স্ট্রেনে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লালার মাধ্যমে এটি ছড়াতে পারে।
মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা
ডা. নন্দী বলেন, "১৯৯৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ২০ বছরে সারা পৃথিবীতে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে মাত্র ৬৪৮ থেকে ৬৪৫ জন। তাই এটা কখনই মহামারীর পর্যায়ে পৌঁছবে না।"
তার মতে, "যেহেতু এই ভাইরাস ছড়ানোর জন্য খুব ক্লোজ কন্টাক্ট বা ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ প্রয়োজন (যেমন বাতাসের মাধ্যমে কোভিড ছড়ায়, এটি তেমন নয়), তাই এটি কখনোই 'অতিমারী' বা 'মহামারী'র আকার নিতে পারবে না। শিলিগুড়িতে এসি-র মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার যে খবর ছিল, সেটিও ছিল একটি নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধ পরিস্থিতির ফল। তাই নিপা নিয়ে অহেতুক আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।"
চিকিৎসক দোলুই বলেন, "নিপা ভাইরাস কোনো নতুন ভাইরাস নয়। ১৯৯৮ সালে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় প্রথম এটি শনাক্ত হয়। এরপর ভারতেও এর প্রকোপ শুরু হয়, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে একাধিকবার আউটব্রেক দেখা দিয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে কেরালাতেও প্রতি বছর নিপা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটছে। সুতরাং, এটি বর্তমানে একটি পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা।"
আতঙ্ক নয় সচেতনতা
নিপা ভাইরাস নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগের প্রেক্ষিতে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, এই রোগ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তাদের মতে, সঠিক তথ্য ও সতর্কতা অবলম্বন করলে এই ভাইরাসের সংক্রমণ সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
চিকিৎসক দোলুই বলেন, "নিপা ভাইরাস কোভিডের মতো অতি দ্রুত একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায় না। এই ভাইরাস মানুষের শরীরে সংক্রামিত হতে যেমন সময় নেয়, তেমনি এর ছড়িয়ে পড়ার হারও তুলনামূলক অনেক কম। এই ভাইরাস বাইরের পরিবেশে বা খোলা বাতাসে বেশিক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে না। সাধারণত তিন দিনের বেশি সময় পার হলে ভাইরাসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে মারা যায়।"
অধ্যাপক জোয়ারদার বলেন, "যদিও এটি একটি ভয়ংকর ভাইরাস, কিন্তু সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। পরিবেশ থেকে এই ভাইরাস তিন দিনের মধ্যে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় এবং সঠিক সচেতনতা ও খাদ্য গ্রহণের সতর্কতা বজায় রাখলে এই সংক্রমণ চক্রটি সহজেই ভেঙে দেওয়া সম্ভব।"
প্রতিরোধের উপায়
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় গুড় বা খাবার গরম করলে এই ভাইরাস নষ্ট হয়ে যায়। তাই সঠিক পদ্ধতি মেনে খাবার গ্রহণ করলে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে না। মূলত আক্রান্ত বাদুড়ের আধখাওয়া ফল বা বাদুড়ের মুখ দেওয়া টাটকা খেজুরের রস থেকে এই ভাইরাস ছড়ায়। এছাড়া আক্রান্ত শূকরের সংস্পর্শ থেকেও এটি ছড়াতে পারে। তাই এই সময়ে টাটকা খেজুরের রস বা সন্দেহভাজন ফল এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
ডা. দোলুই বলেন, "নিপা ভাইরাস কোনো নতুন রোগ নয়। মানুষ যদি সচেতন থাকে এবং সংক্রমণের উৎসগুলো এড়িয়ে চলে, তবে এই ভাইরাসের 'ট্রান্সমিশন সাইকেল' বা সংক্রমণ চক্রটি নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যাবে। এটি সারা জীবন ধরে ছড়ানোর মতো কোনো মহামারী নয়।"
বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশে প্রতি বছরই নিপা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়, যা ভৌগোলিক কারণে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তবে অধ্যাপক জোয়ারদার স্পষ্ট করেছেন যে, এটি কোনো সীমান্ত পার হয়ে আসা পরিকল্পিত সংক্রমণ নয়। জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্যাভাব বা বাসস্থানের সংকটে বাদুড় যখন মানসিক চাপে থাকে, তখনই তাদের শরীর থেকে ভাইরাস নিঃসরণ বা 'স্পিলওভার' ঘটে। এটি একটি দুর্ঘটনাজনিত ঘটনা এবং মানুষ ও বাদুড়ের সহাবস্থানের ক্ষেত্রে সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই এর প্রধান প্রতিকার।
তিনি মনে করিয়ে দেন যে, বাদুড় বাস্তুতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পরাগায়ন এবং বীজের বিস্তারে বাদুড়ের বিশাল ভূমিকা রয়েছে, তাই আতঙ্কিত হয়ে বাদুড় নিধন কোনো সমাধান নয়, বরং নিজেদের জীবনযাত্রায় সতর্কতা আনাই বুদ্ধিমানের কাজ।
কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং
আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা প্রায় ৯০-১২০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব বর্ধমান জেলায় কড়া নজরদারি চলছে।
রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষের সাহায্যের জন্য এবং তথ্য আদান-প্রদানের জন্য কয়েকটি হেল্পলাইন চালু করেছে। চিকিৎসকরা মনে করেন ভাইরাস আটকাতে খুব গুরুত্বপূর্ণ কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং।
চিকিৎসক দোলুই বলেন, "নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে কন্টাক্ট ট্রেসিং সবচেয়ে জরুরি। আক্রান্ত ব্যক্তি গত সাত দিনে যাদের সংস্পর্শে এসেছেন, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে কোয়ারেন্টাইন করা এবং লক্ষণ দেখা দিলে আইসোলেট করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। এভাবে আর্লি ডায়াগনোসিস এবং আইসোলেশন নিশ্চিত করলেই ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া বন্ধ করা সম্ভব।"
নিপাকে ঘিরে রাজনীতি
রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর নিপা পুরো পশ্চিমবঙ্গে 'হাই অ্যালার্ট' জারি করেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিস্থিতি নিজে পর্যবেক্ষণ করছেন।
অপরদিকে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবং রাজ্যকে সাহায্য করতে কেন্দ্র থেকে একটি বিশেষ বিশেষজ্ঞ দল রাজ্যে এসেছে। তারা কল্যাণী এআইএমএস এবং আক্রান্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করছে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করে পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার রাজ্যকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে কেন্দ্রের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেস এই পরামর্শকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা করোনা কালের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে কেন্দ্রের সমালোচনা করেছে এবং রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর ভরসা রাখার কথা জানিয়েছে।
পায়েল সামন্ত ডয়চে ভেলের কলকাতা প্রতিনিধি
আপনার মতামত দিন:
