|

বিএম এ নেতাদের কাছে ডাক্তারদের ৮ দফা জরুরী দাবি


Published: 2017-01-11 12:34:42 BdST, Updated: 2017-11-22 09:53:20 BdST


ডা. এস এম সাজ্জাদ জালাল
___________________________

সদ্য নির্বাচিত বিএমএ নেতৃবৃন্দের নিকট কয়েকটি প্রস্তাবনা।

১.জি পি (গ্রামীণফোনের) স্টার হলে অনেক সুযোগ দেয়। ডিসকাউন্টে বিমানের টিকেট প্রাইভেট হাসপাতালে পরীক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগ।
তেমনি বিএমএ ডাক্তারদের জন্য তার মেম্বারদের প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে ~ ৪০% কমিশনের সুযোগটা পাবার ব্যবস্হা করতে পারে। প্রাণ গোপাল স্যারের বক্তব্যটা কিছুটা হলেও বাস্তবায়িত হোক। রুগিদের সুবিধা না দিতে পারলেও ডাক্তারদের কিছুটা সুযোগ দেয়া হোক।এখন কেউ ডিসকাউন্ট করাতে গেলে অনেক ধর্না দিতে হয় তাই সহজে কেউ তা করে না।

 

 

২. সরকারী হাসপাতালের টিকেট নিয়ে কোন রুগি প্রাইভেট হাসপাতালে গেলে ২০-৪০% ডিসকাউন্ট পাবে শর্তহীন ভাবে।এতে রুগিরা উপকৃত হবে সরকারী হাসপাতালের উপরও চাপ কিছু কমবে। সাথে দালালের উপদ্রবও কমবে।

৩.প্রত্যেক জেলা সদর হাসপাতালে একজন তত্ত্বাবধায়ক দেয়া খুব জরুরি।এটা খুব কঠিন কাজ নয়।এতে চিকিৎসা সেবার মান বাড়বে আমার বিশ্বাস।

 

৪.সদর হাসপাতালে পোস্টমর্টেম করা হয় বিনা পারিশ্রমিকে। ৪৫ বৎসর যাবৎ চলছে আর কত বিনা পারিশ্রমিকে পোস্টমর্টেম হবে ?
এতে চিকিৎসকদের চিকিৎসা কাজেও ব্যাঘাত ঘটে। পোস্টমর্টেমের রিপোর্ট দিতেও দেরি হয় যা তদন্ত ও বিচার কাজে অনেক সমস্যা করে। এজন্য পারিশ্রমিক প্রদান ও ফরেনসিক মেডিসিনের জন্য পোস্ট তৈরী করা উচিত।

 

 

৫.  ১০ বৎসর চাকুরিতে গ্রেড পরিবর্তন হবে।একই পদোন্নতি পূর্বক মেডিকেল অফিসার পদবিও পরিবর্তন হওয়া উচিত।

৬.উপজেলা হাসপাতালে টিকেট চালু করলে নি:সন্দেহে চিকিৎসা সেবার মান অনেক বাড়বে।
২/৫ টাকা দেয়া মানুষের জন্য কোন সমস্যা না।

 

 

৭.ছাত্রীর সংখ্যা মেডিকেল সাইন্সে অনেক বেশী।এই সংখ্যা কোন ভাবেই অর্থাৎ ছাত্র:ছাত্রী ৫০:৫০ এর অধিক হওয়া উচিত নয়।
ছাত্রী বাড়ুক কোন সমস্যা নাই।কিন্তু এতে পুরুষ ডাক্তারের উপর কাজের লোড অনেক বেড়ে যায় বিশেষ করে সরকারী হাসপাতালে। এতে কষ্ট রুগি ও পুরুষ ডাক্তার উভয়ের জন্য।
এর কুফল কিছুটা শুরু হয়েছে ব্যাপক কুফল দেখা যাবে অচিরেই।

 

 

৮.বিএমএর ব্যালট পেপার (বিশেষ করে ঢাকা সিটির) এমসিকিউর মত বড়।এতে নানা সমস্যা হয় বিশেষ করে ভোট নেয়া এবং গণনায় দীর্ঘ সময়।এসমস্যা দূর করা যায় সহজে।
মনোনয়ন জমা হবে ইসি ও সিসি সব পদে।ভোট নেয়া হবে শুধু ইসির পদে।যে কেন্দ্রে ইসি জয়লাভ করবে সব সিসি পদ ঐ প্যানেল থেকে পাবে।বিভক্তি জয় হলে কিভাবে পদ বন্টন হবে তা নির্ধারন করে নেয়া হবে।২০০২ সালে ঢাকা সিটি হতে নির্বাচন করে সারারাত ও পরদিন ভোট গুনে মনে হয়েছে সিসির ভোট গণনা ঝামেলাপূর্ণ এবং নিষ্প্রয়োজন।

_________________________
লেখক ডা. এস এম সাজ্জাদ জালাল
Dr SM Sajjad Jalal
Assistant Professor
Department of Radiology & Imaging
Comilla Medical College,Comilla.

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।